Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বনগাঁ ও চাকদহের দুই শ্রমিককে ভিন রাজ্যে আটকে রেখে হেনস্তা

বনগাঁ ও চাকদহের দুই পরিযায়ী শ্রমিককে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠল দু’টি পৃথক রাজ্যে।

বনগাঁ ও চাকদহের দুই শ্রমিককে ভিন রাজ্যে আটকে রেখে হেনস্তা
  • ২৫ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ ও কল্যাণী: বনগাঁ ও চাকদহের দুই পরিযায়ী শ্রমিককে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠল দু’টি পৃথক রাজ্যে। 

Advertisement

বনগাঁ থানার গাইনপুরের বাসিন্দা নাজমুল সর্দার (২৩)। হরিয়ানায় একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। ১৯ জুলাই সেখানকার পুলিস বাংলাদেশি সন্দেহে নাজমুলকে ধরে নিয়ে যায়। তাঁর কাছে বৈধ ভারতীয় নথি থাকলেও আটকে রেখে হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে বনগাঁ থানায় যোগাযোগ করা হয়। পুলিস ওই যুবকের বৈধ কাগজপত্র হরিয়ানা পুলিসের কাছে দেখিয়ে তাঁকে উদ্ধার করতে উদ্যোগী হয়। ২২ জুলাই তাঁকে ছেড়ে দেয় পুলিস। বর্তমানে হরিয়ানাতেই রয়েছে যুবক। এদিকে বনগাঁ পুলিস জেলার পক্ষ থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের সাহায্যের জন্য বৃহস্পতিবার কন্ট্রোল রুম চালু করা হল। ২৪ ঘণ্টা এই কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে। ৯১৪৭৮৮৮২৩০  নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন সাধারণ মানুষ।
অন্যদিকে, বাংলাদেশি সন্দেহে মুম্বইয়ে আটক করা হয়েছে চাকদহের নির্মাণ শ্রমিক আকাশ মণ্ডলকে। পরিবারের অভিযোগ, ভারতের বৈধ নথি দেখালেও শুধুমাত্র বাংলায় কথা বলার জন্য পুলিস তাঁকে আটকে হেনস্তা করছে বাংলাদেশি সন্দেহে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, চাকদহ ব্লকের ঘেটুগাছি পঞ্চায়েতের সহিসপুরের ওই যুবক ও তাঁর স্ত্রী প্রায় ২৭ বছর মুম্বইয়ের বান্দ্রা অঞ্চলে বসবাস করছেন। আকাশ নির্মাণ শ্রমিক এবং তাঁর স্ত্রী পরিচারিকার কাজ করেন। তাদের দুটি সন্তান সেখানকার স্থানীয় স্কুলে পড়াশোনা করে। 
সোমবার মুম্বই পুলিস স্বামী-স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যায়। পরে রাতের দিকে স্ত্রীকে ছেড়ে দিলেও আকাশকে আটকে রাখে। বৈধ-নথি দেখানোর পরও তাঁকে ছাড়া হয়নি। যদিও চাকদহ থানার পুলিস জানিয়েছে, তাঁদের কাছে আটক বা গ্রেপ্তারের কোনও খবর নেই। আকাশের দাদা মঞ্জিল মণ্ডল বলেন, ভাই দীর্ঘ দিন ধরে মুম্বইয়ে বাস করছে। পুলিস তাকে আটকে রেখেছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, আমাদের গ্রামের প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ ভিন রাজ্যে থাকে। বাংলা বললে বাংলাদেশি মনে করা হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ