সংবাদদাতা, ডোমকল: রানিনগরের শাসক দলের দুই নেতাকে নোটিস পাঠাল বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থা। ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা বিদ্যুতের বিল মেটাচ্ছিলেন না। বহুবার বকেয়া বিল পরিশোধ করতে বলেও কাজ হয়নি। এবার তাঁদের তিন দিনের মধ্যে বিল পরিশোধ করার নোটিস দেওয়া হয়েছে। বুধবার রানিনগরের স্টেশন ম্যানেজার ওই দুই নেতাকে নোটিস দিয়েছেন।
বিদ্যুৎ দপ্তর সূত্রের খবর, ওই দু’জনের একজন কাতলামারি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান ধনঞ্জয় মণ্ডল। বিদ্যুৎ দপ্তরের তরফে ধনঞ্জয়বাবুকে বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য নোটিস করা হয়েছে। দপ্তরের দাবি, এই পর্যন্ত ধনঞ্জয়বাবুর কাছে বিদ্যুতের বকেয়া বিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ১৫৭ টাকা । দপ্তরের দাবি, ওই বিল পরিশোধের জন্য একাধিকবার দপ্তরের তরফে তাঁকে জানানো হয়েছে। কিন্তু তারপরেও বকেয়া বিল পরিশোধ করেননি তিনি। এরপরই বুধবার ওই বিল পরিশোধ করার জন্য দপ্তরের তরফে তাঁকে একটি নোটিস করা হয়েছে। ওই নোটিসে বলা হয়েছে, নোটিস গ্রহণের তিন দিনের মধ্যে বকেয়া বিল না মেটালে তাঁর বিদ্যুৎ সংযোগ ছিন্ন করা হবে।
এদিকে, বিল বকেয়া নিয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে কাতলামারি ১ পঞ্চায়েতের প্রাক্তন তৃণমূল প্রধান বাসুদেব সাহাকেও। বুধবার তাঁকেও নোটিস পাঠিয়ে বলা হয়েছে, নোটিস রিসিভ করার তিনদিনের মধ্যে বকেয়া ১১ হাজার ৭৮৬ হাজার টাকা বিল শোধ করতে হবে। রানিনগরের স্টেশন ম্যানেজার এমডি আনোয়ার আলম বলেন, বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য কাতলামারি ২ পঞ্চায়েতের প্রধান ও কাতলামারি ১ পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধানকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বকেয়া বিল পরিশোধ না করলে বিদ্যুতের সংযোগ কেটে দেওয়া হবে। এছাড়া কয়েকটি পঞ্চায়েত অফিসের বিদ্যুৎ বিলও বকেয়া রয়েছে। তাদেরও বিল পরিশোধ করার জন্য বলা হচ্ছে।
বাসুদেববাবু বলেন, আমার কোনও বিল বকেয়া নেই। আমি সব বিল পেমেন্ট করে দিয়েছি। আমি বিষয়টা শুনেই এসএমকে জানিয়েছি। শুধুমাত্র আমার লাস্ট পার্টের বিল বাকি আছে, ওই বিল আমি মে মাসে জমা দেব। এদিকে এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া নেওয়ার জন্য ধনঞ্জয়বাবুকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।