সংবাদদাতা, মানিকচক: মথুরাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে চৌকিদারি কর আদায়কারী না থাকায় সমস্যায় স্থানীয় বাসিন্দারা। গত একমাস ধরে বারবার পঞ্চায়েতে গেলেও নেওয়া হচ্ছে না চৌকিদারি কর। কারণ হিসেবে উঠে আসছে গ্রাম পঞ্চায়েতের সেক্রেটারি ও ট্যাক্স কালেক্টর পদটি বর্তমানে শূন্য। পঞ্চায়েত প্রধান বিষয়টি ব্লক ও প্রশাসনকে জানালেও নিয়োগ হয়নি বলে জানিয়েছেন। আর চৌকিদারি কর আদায় না হওয়ায় জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন মথুরাপুরের বাসিন্দারা।
মানিকচক ব্লকের মথরাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপি পরিচালিত। একমাস আগে বাংলার বাড়ির তথ্য যাচাইয়ের নামে কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ ওঠে গ্রাম পঞ্চায়েতের সেক্রেটারি ও এক কর্মীর বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই সেক্রেটারি ও কর্মীকে স্থানান্তর করা হয়। তারপর থেকে পদটি শূন্য। পঞ্চায়েতে জনসাধারণের পরিষেবামূলক কাজ ডিজিটাল করা হয়েছে। ইনকাম সার্টিফিকেট থেকে রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট, এমনকী চৌকিদারি করও অনলাইনে কাটাতে হয়। অভিযোগ, অনলাইনে চৌকিদারি কর দেওয়ার জন্য আবেদন করলেও তা অনুমোদন হতে দীর্ঘদিন সময় লাগছে। অন্যান্য গ্রাম পঞ্চায়েতে অফলাইনে আবেদনের ভিত্তিতে চৌকিদারি কর নেওয়া হলেও মথরাপুর পঞ্চায়েতে পদটি শূন্য থাকার কারণে সেই পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে না। স্থানীয় বাসিন্দা শ্রীকান্ত রজক বলেন, আগে পঞ্চায়েতে গেলে সঙ্গে সঙ্গে চৌকিদারি ট্যাক্স নেওয়া হতো। এখন দীর্ঘদিন সময় লাগছে। পাঁচদিন আগে আবেদন করেছি, এখনও হয়নি। চৌকিদারি ট্যাক্স না দিতে পারায় জমি সংক্রান্ত কাজ আটকে রয়েছে। প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিক।
এবিষয়ে মথুরাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মৌসুমী মণ্ডল বলেন, পঞ্চায়েত সেক্রেটারি ও ট্যাক্স কালেক্টর না থাকায় সমস্যা হয়েছে। বিষয়টি মানিকচক ব্লক প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার নতুন সেক্রেটারি আসবেন বলে জানিয়েছিলেন বিডিও। কিন্তু এদিন পর্যন্ত সেক্রেটারি আসেননি। বিষয়টি আবার জানাব। প্রয়োজনে এপ্রিল মাস থেকে অস্থায়ী লোক রেখে চৌকিদারি কর নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।