Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বিজেপির বুথ সভাপতি খুনে জড়িত আরও দুই, তদন্তে জেনেছে পুলিস

বারুইপুরে বিজেপির বুথ সভাপতি রাজীব বিশ্বাসকে খুনের ঘটনায় এখনও অধরা তাঁর ভাই সন্দীপ বিশ্বাস। কেন ওই যুবককে খুন করা হল, তা এখনও স্পষ্ট নয় তদন্তকারীদের কাছে।

বিজেপির বুথ সভাপতি খুনে জড়িত আরও দুই, তদন্তে জেনেছে পুলিস
  • ১৩ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বারুইপুর: বারুইপুরে বিজেপির বুথ সভাপতি রাজীব বিশ্বাসকে খুনের ঘটনায় এখনও অধরা তাঁর ভাই সন্দীপ বিশ্বাস। কেন ওই যুবককে খুন করা হল, তা এখনও স্পষ্ট নয় তদন্তকারীদের কাছে। অভিযোগ দায়ের হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পরেও সূত্র হাতড়াচ্ছেন তাঁরা। তবে এই খুনে বাবা ও ভাই ছাড়াও আরও দু’জন জড়িত বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেই এই তথ্য হাতে পেয়েছেন তাঁরা। ওই দু’জনকে গত ৮ আগস্ট সন্ধ্যায় রাজীবের বাড়িতে দেখা গিয়েছিল। ওরাও মারধর করেছিল রাজীবকে। ওই দু’জন কারা, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। প্রতিবেশীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রোমোটিংয়ে বাধা দেওয়ার কারণেই রাজীবকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। তবে শুধুই কি এই কারণ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে, তা এখনও পরিষ্কার নয়। সোমবার রাতে মৃতের বাবা নিতাই বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করেছিল বারুইপুর থানা। সেই সময় সে মদ্যপ অবস্থায় ছিল। নেশার ঘোরে থাকায় সে পুলিসের কোনও প্রশ্নের উত্তর তিনি দিতে পারেনি। এদিন সকালেও তাকে জেরা করা হলে সে নীরব ছিল বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

৮ই আগস্ট  বিশ্বাস পরিবারে ঠিক কী হয়েছিল, তা জানতে পড়শিদের সঙ্গে কথা বলেন তদন্তকারী অফিসাররা। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, রাত সাড়ে ১১টা থেকে ভোর ৩টে পর্যন্ত দফায় দফায় মারধর করা হয় ২২ বছরের রাজীবকে। রাতের নির্জনতাকে ভেদ করে অনেক দূর থেকে তাঁর চিৎকার শোনা গিয়েছে। পুলিস প্রতিবেশীদের এই বক্তব্য খতিয়ে দেখছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, মারধরের আওয়াজ কানে এলেও কেন কেউ বেরিয়ে আসেননি সেই সময়ে? পরের দিন, অর্থাৎ ৯ আগস্ট সকালে কেন তাঁরা পুলিসকে এই  ঘটনা জানাননি, এনিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
মঙ্গলবার রাজীবের পরিবারের তরফে আত্মীয় গৌর বিশ্বাস থানায় চারজনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের উকিলপাড়ায় রাজীবের প্রতিবেশীরা এদিন থানায় অভিযুক্ত নিতাই বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মাস পিটিশন জমা দেন। তাঁদের অভিযোগ, প্রায়ই তাঁদের হুমকি দিত নিতাই। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে ওঠাবসা ছিল তাঁর। সেই সুযোগ নিয়েই ভয় দেখাত সবাইকে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ