Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ছিনতাইবাজ বাইক গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য ধৃত দুই দুষ্কৃতী, উদ্ধার সোনার হার

ছিনতাইবাজ বাইক গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য ধৃত দুই দুষ্কৃতী, উদ্ধার সোনার হার
  • ১৯ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বাইকে চেপে নিমেষের মধ্যে ছিনতাই করে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। এমন বাইক গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যে ঘুম ছুটেছিল পুলিসের। বহরমপুর শহর সংলগ্ন ভাকুড়ি মোড়ে এক প্রৌঢ়ার সোনার হার ছিনতাইয়ের ঘটনার তদন্ত নেমে পুলিস দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা বাইকে করে বিভিন্ন জায়গা থেকে বয়স্ক মহিলাদের হার ছিনতাই করত বলেই জানা গিয়েছে। পুলিস জানিয়েছে ধৃতরা হল, সুজন শেখ ও ফারুক শেখ। তাদের দু’জনের বাড়ি বহরমপুরের সুন্ধিপুর এবং ভাকুড়িতে। ধৃতদের হেফাজত থেকে একটি সোনার হার উদ্ধার করেছে পুলিস। সেইসঙ্গে যে বাইকে করে তারা ছিনতায়ের কাজ করেছিল, সেই বাইকটিকেও পুলিস বাজেয়াপ্ত করেছে।  

Advertisement

পুলিস জানিয়েছে, গত বুধবার ভাকুড়ি মোড়ে সুলতা শীল নামে এক প্রৌঢ়ার হার ছিনতাই হয়। তাঁর অভিযোগ, ওই সন্ধ্যায় মোটর বাইকে করে এসে তার গলার সোনার চেন ছিঁড়ে নিয়ে পালায় দুই যুবক। অভিযোগ পেয়ে পুলিস তদন্ত শুরু করে। অবশেষে ধৃতদের চিহ্নিত করে শুক্রবার গ্রেপ্তার করে বহরমপুরে মুখ্য বিচার বিভাগীয় বিচারকের এজলাসে তোলা হলে পাঁচদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। পুলিস হেফাজতে থাকাকালীন ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের দেখানো জায়গা থেকে শনিবার সন্ধ্যায় চুরি যাওয়া হার ও মোটর বাইক উদ্ধার করে। 
মুর্শিদাবাদের পুলিস সুপার কুমার সানি রাজ বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পরে তদন্তে নেমে প্রথমে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে উদ্ধার করা হয়েছে একটি সোনার হার ও বাইক। দু’জনেই চুরির ঘটনার কথা স্বীকার করেছে। সেই সঙ্গে অন্য এলাকাতেও বাইকে করে একই ধরনের অপরাধ করার কথা স্বীকার করেছে। পুরো ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’ এর আগেও বহরমপুর শহর ও শহর সংলগ্ন এলাকায় এই ধরনের গ্যাং দাপিয়ে বেরিয়েছে। তবে পুলিসি ধরপাকড়ের জেরে বেশ কয়েক মাস এই বাইক গ্যাংয়ের খোঁজ মেলেনি। ইদানীং ফের বাইক গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বাড়ায় পুলিস চিন্তিত। এই দুই যুবক ছাড়াও এভাবে আর কেউ ছিনতাইয়ের কাজ করছে কি না, সে ব্যাপারেও পুলিস খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেছে। 
বহরমপুর থানার এক তদন্তকারী আধিকারিক বলেন, এরা সাধারণত এক একটি বাইকে দু’জন করে চেপে রাস্তায় অপরাধগুলি করে থাকে। সাধারণত পুজোর আগে কিংবা উৎসবের মরশুমে এদের দাপট দেখা যায়। তবে হঠাৎ করে এই ধরনের ছিনতাইয়ের একটি অভিযোগ পাওয়ার পরই আমরা নড়েচড়ে বসি। তদন্ত করে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করেছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ