Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আপালচাঁদে জ্বালানি সংগ্রহে গিয়ে হাতির আক্রমণে দু’জনের মৃত্যু

আপালচাঁদে জ্বালানি সংগ্রহে গিয়ে হাতির আক্রমণে দু’জনের মৃত্যু
  • ৭ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: শনিবারের পর রবিবার, ফের জঙ্গলে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহে গিয়ে হাতির হানায় মৃত্যু হল দু’জনের। রবিবার দুটি ঘটনাই ঘটেছে আপালচাঁদ জঙ্গলে। ঘটনায় আরও দু’জন জখম হয়েছেন। দু’জনের প্রাণ চলে যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। 

Advertisement

পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম সফিয়ার রহমান(৫০), রাজেন ওরাওঁ(৫২)। সফিয়ার রহমানের বাড়ি ক্রান্তি ব্লকের রাজাডাঙা গ্রামপঞ্চায়েতের উত্তর বারোঘরিয়ায়। রাজেন একই গ্রামপঞ্চায়েতের আনন্দপুর চা বাগানের স্কুললাইনের বাসিন্দা ছিলেন। 
পুলিস ও বনদপ্তর সূত্রে খবর, এদিন সকাল দশটা নাগাদ সফিয়ার রহমান তিনজনের সঙ্গে আপালচাঁদ জঙ্গলে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করতে যান। সেইসময় আপালচাঁদ জঙ্গলের উত্তর বারোঘরিয়া চেল-টু কম্পার্টমেন্টে আচমকা একটি হাতি তাঁদের সামনে চলে আসে। সকলে পালিয়ে গেলেও সফিয়ারকে ধরে ফেলে হাতিটি। তাঁকে শুঁড় দিয়ে শূন্যে তুলে আছাড় মারে। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এরপরই খবর পেয়ে দুপুর দুটো নাগাদ আপালচাঁদ রেঞ্জের বনকর্মী এবং ক্রান্তি ফাঁড়ি পুলিস জঙ্গলে গিয়ে দেহ উদ্ধার করে আনে। 
অন্যদিকে, এদিন দুপুরে রাজেন ওরাওঁ বেশ কয়েকজন মহিলার সঙ্গে একইভাবে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করতে যান। তাঁরা আপালচাঁদের অন্যদিকে দিকে ঢুকেছিলেন। সেই সময় জঙ্গলের ফালঝোরা-টুতে অন্য একটি দাঁতাল তাঁদের সামনে চলে আসে। অন্যরা পালিয়ে গেলেও রাজেন, কুসুম বেগম, লায়লা বেগম নামে এই তিনজন পালাতে পারেননি। রাজেনকে হাতিটি পিষে মারে। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। কুসুম ও লায়লাকে লাথি মারে হাতিটি। একজনের পা ভেঙে যায়। অন্যজনের হাত ভেঙে যায়। হাতিটি চলে গেলে অন্যরা এলাকায় গিয়ে খবর দেয়। পুলিস ও বনকর্মীরা এসে বিকেলে পাঁচটা  নাগাদ মৃত এবং আহতদের উদ্ধার করে আনে। মাল সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে জখমরা চিকিত্সাধীন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ