Bartaman Logo
১৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দু’ঘণ্টা অপেক্ষা পুলিশের, অনুপস্থিত প্রশাসনিক কর্তারা, হলই না বাজি পরীক্ষা

ঘড়ি ধরে দু’ঘণ্টা টালার মাঠে বসে রইলেন বাজি ব্যবসায়ী ও কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। তারপর মাঠ ছেড়ে চলে গেলেন

দু’ঘণ্টা অপেক্ষা পুলিশের, অনুপস্থিত প্রশাসনিক কর্তারা, হলই না বাজি পরীক্ষা
  • ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ঘড়ি ধরে দু’ঘণ্টা টালার মাঠে বসে রইলেন বাজি ব্যবসায়ী ও কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। তারপর মাঠ ছেড়ে চলে গেলেন। বাজি বাজার শুরুর আগে উদ্যোক্তারা বাজির নমুনা নিয়ে এসেছিলেন টালা পার্কে। ঠিক ছিল, বাজি বৈধ কি না যাচাই করে দেখবে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ, ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিচার্স ইনস্টিটিউটের (নিরি) কর্তারা। অভিযোগ, তাদের কোনও প্রতিনিধি আসেনি। তাই কোনও পরীক্ষা ছাড়াই বাজি চলে গেল বাজারে। 

Advertisement

মাঠ ছাড়ার সময় পুলিশ আধিকারিক শেখরেশ নাথ বলেন, ‘নিরি, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে মেল করা হয়েছিল। তাঁরা এলেন না। তাই বাতিল করতে হল। পরীক্ষা করা হলে বিষয়টি চাক্ষুষ করে বোঝা যেত। নিরির তিন হাজারেরও বেশি বাজি নিয়ে একটি তালিকা রয়েছে। বাজি বাজারগুলিকে বলা হয়েছে, সেই তালিকা দিতে। সেটা দেখেই এগতে হবে।’ বাজি ব্যবসায়ীরা এদিন বলেন, ‘চারটি বাজারের তরফ থেকে আমরা মোট ৩৩টি নমুনা বাজি এনেছিলাম। সেগুলি পুলিশের তালিকায় নথিভুক্ত করা হয়েছে। আমরা এবার এগুলি বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছি।’ রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের চেয়ারম্যান কল্যাণ রুদ্র বলেন, ‘আমাদের কাছে এরকম কোনও চিঠি আসেনি। সবুজ বাজির কিউআর কোড করবে নিরি। আর রাসায়নিক উপাদান দেখবে পেসো। এখানে দূষণ নিয়ন্ত্রণের কোনও কাজ নেই। শব্দ ফাঁকা মাঠে দেখা হয় না। তা পরীক্ষাগারে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা করা হয়। তবুও আমাদের কাছে আমন্ত্রণ এলে প্রতিনিধি পাঠাতাম।’ এদিকে অনেকের বক্তব্য, বাজি বাজারে বেশ কিছু বাজির প্যাকেটে কিউআর কোড দেখা যায়নি। কল্যাণবাবু এ বিষয়ে বলেন, ‘আমার ধারণা, সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অনুযায়ী এটা হওয়ার কথা নয়।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ