সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: কুশমণ্ডি পঞ্চায়েত সমিতির উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডার নিয়ে ঠিকাদারদের মধ্যে হাতাহাতি। বুধবার রাতে কুশমণ্ডি চৌপথী এলাকায় ঠিকাদার নবীন ঝা ও বিজন সরকার গোষ্ঠীর লোকজন হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার ফের কুশমণ্ডি ব্লক চত্বরে দুই ঠিকাদার গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। দু’পক্ষই মারধরের ঘটনায় কুশমণ্ডি থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে।
কুশমণ্ডির দুই ঠিকাদার গোষ্ঠীর পিছনে তৃণমূলের প্রভাবশালীরা রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, কুশমণ্ডি পঞ্চায়েত সমিতি পঞ্চম অর্থ কমিশনের ৫০ লক্ষ টাকা ও সাংসদ তহবিল থেকে মার্ক টু টিউবওয়েল, সোলার লাইটের অনলাইন টেন্ডার করে। তারপরেও কুশমণ্ডি ব্লকে উন্নয়নমূলক কাজ কে করবে, তা ঠিকাদাররা নিজেদের মধ্যে ভাগ বাঁটায়োরা করে নেন বলে অভিযোগ।
ঠিকাদার বিজন সরকার বলেন, বুধবার রাতে কুশমণ্ডি চৌপথী এলাকায় আমার উপর হামলা করে অন্য ঠিকাদাররা। কারণ আমি পঞ্চায়েত সমিতির অনলাইন টেন্ডারে অংশগ্রহণ করেছি। কাজের ভাগ আগেই হয়ে গিয়েছে বলে জানানোর পর আমাকে মারধর করে। কুশমণ্ডি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। কুশমণ্ডির ঠিকাদার নবীন ঝা বলেন, আমাদের বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর ঠিকাদাররা রাতের অন্ধকারে আমাদের কয়েকজন ঠিকাদারের উপর চড়াও হয়। আমরা পঞ্চায়েত সমিতির উন্নয়নমূলক কাজে অংশ নিয়েছি বলে মারধর করা হয়। দীর্ঘ এক বছর ধরে তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতৃত্ব এর পিছনে রয়েছে। কে কাজ পাবে, তারাই ঠিক করে দেয়। সরকারি কাজ পেতে তোলা দিতে হয়। প্রভাবশালীর ঘনিষ্টরা কাজ পেয়েছে। আমাদের উপর হামলার ঘটনার অভিযোগ জানিয়েছি থানায়। কুশমণ্ডির বিডিও নয়না দে বলেন, সরকারি নিয়ম মেনে টেন্ডার ওপেন করে ঠিকাদার সংস্থাকে ওয়ার্ক অর্ডার দিয়েছি। বাইরে কী হচ্ছে, সেবিষয়ে কিছু জানা নেই। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমেছে কুশমণ্ডি থানার পুলিস।