নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ ও সংবাদদাতা, কালিয়াগঞ্জ: অনুপ্রবেশের সময় রায়গঞ্জ মহকুমার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী দুটি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার দুই বাংলাদেশি। একজন গ্রেপ্তার হয়েছে রায়গঞ্জ থানার অধীন ভাটোল ফাঁড়ির মালদাখণ্ড এলাকা থেকে। অপরজন গ্রেপ্তার হয়েছে কালিয়াগঞ্জের চাঁদগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে।
দুই থানার পুলিসেরই বক্তব্য, ধৃত দু’জনকে সীমান্তবর্তী এলাকায় ইতস্তত ঘোরাফেরা করতে দেখে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দু’জনকেই বুধবার জেলা আদালতে হাজির করা হয়। তাদের মধ্যে ভাটোল থেকে গ্রেপ্তার হওয়া জাইরুল ইসলামকে রায়গঞ্জ থানার পুলিস ৩ দিনের জন্য হেফাজতে নিয়েছে।
জেলা আদালতের সরকারি আইনজীবী নীলাদ্রি সরকার বলেন, অনুপ্রবেশের দায়ে কালিয়াগঞ্জ থানার পুলিস সঞ্জীব রায় ও রায়গঞ্জ থানার পুলিস জাইরুল ইসলামকে আদালতে হাজির করে।
সঞ্জীবের জেল হেফাজত হলেও জাইরুলকে ৩ দিনের পুলিস হেফাজতে পাঠিয়েছেন বিচারক।
ভাটোল ফাঁড়ি সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া মালদাখণ্ড এলাকা থেকে জাইরুলকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। পুলিস তাকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই অনেক সন্দেহজনক কথাবার্তা বলতে থাকে সে।
প্রাথমিকভাবে সে বলে, দক্ষিণ ভারতে কাজের জন্যই এদেশে সে ঢুকেছে। তার বাড়ি বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে। তবে কীভাবে সে অনুপ্রবেশ করল? কোনও চক্র রয়েছে কিনা? এপারে এসে কোথাও আশ্রয় নিয়েছিল কিনা ইত্যাদি জানতে তদন্ত চলছে বলে রায়গঞ্জ থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, কাজের খোঁজে কাঁটাতার টপকে ভারতে এসেও শেষ রক্ষা হল না। কালিয়াগঞ্জের চাঁদগাঁও সীমান্ত থেকে ধৃত বাংলাদেশি সঞ্জীব। বিএসএফ তাকে কালিয়াগঞ্জ থানার পুলিসের হাতে তুলে দেয়। সঞ্জীবের বাড়ি বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলায়।
কালিয়াগঞ্জ থানার আইসি দেবব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, বিএসএফের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ওই বাংলাদেশিকে। জানা গিয়েছে, এর আগেও সে একাধিকবার ভারতে এসেছিল। মুম্বইতে শ্রমিকের কাজ করত সে।