বিশেষ সংবাদদাতা, আগরতলা: পাচারের চেষ্টা রুখে দিল বিএসএএফ। মৃত্যু হল দুই বাংলাদেশি পাচারকারীর। দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার আমজাদনগরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। টহলদারির সময় সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে আসে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর জওয়ানদের। তাঁরা পাচারকারীদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে পাচারকারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। পাল্টা হামলা চালায়। আত্মরক্ষার জন্য বিএসএফ জওয়ানরা গুলি চালাতে বাধ্য হন। এরফলে তিন বাংলাদেশি পাচারকারী গুলিবিদ্ধ হয়। তাদের মধ্যে একজনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। অন্য দু’জনকে তাদের সঙ্গীরা বাংলাদেশের পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে একজনের মৃত্যু হয়। অন্যজন বর্তমানে চিকিৎসাধীন বলে খবর।
বিএসএফের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে ১৫ লক্ষ টাকার ওষুধ বাজেয়াপ্ত হয়েছে। ওই সব ওষুধ সীমান্তে চোরাচালানের জন্য আনা হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে মৃত পাচারকারীর দেহ শুক্রবার বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডস (বিজিবি) আধিকারিকদের উপস্থিতিতে সেদেশের কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় বিএসএফ ও বিজিবির কমান্ড্যান্ট পর্যায়ের ফ্ল্যাগ মিটিং হয়। সেখানে গুলি চালানোর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিজিবি। যদিও বিএসএফ আধিকারিকরা সাফ জানিয়ে দেন, সীমান্তে চোরাচালান বরদাস্ত হবে না। পাচারকারীরা হিংস্র হয়ে উঠলে বিএসএফ গুলি চালাতে বাধ্য হয়। এই বিষয়ে ত্রিপুরা পুলিসের এআইজি (আইনশৃঙ্খলা) রণধীর দেববর্মা জানিয়েছেন, চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ভারতীয়কেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সম্পূর্ণ ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।