লখনউ: নিজেদের পুলিশ এবং সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে হানিট্র্যাপের চক্র খুলে ফেলেছিল তারা। তাদের ফাঁদে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন অনেকে। অবশেষে উত্তরপ্রদেশে হানিট্র্যাপ চক্রের দুই পান্ডাকে শনিবার মিরাট থেকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। বাকি তিনজনকে ধরতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, সম্প্রতি নীরজ পাল নামে এক ব্যক্তি হানিট্র্যাপের শিকার জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। নীরজ জানিয়েছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় মহিলার ভুয়ো প্রোফাইলের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে ‘বন্ধুত্ব’ করে প্রতারকরা।
এরপর তাঁর সঙ্গে ছবি বিনিময় করা হয়। আরও কিছুদিন পরে ব্যক্তিগত সাক্ষাতের জন্য একটি জায়গায় নীরজকে ডাকা হয়। সেখানে গিয়ে তাঁর ভুল ভাঙে। প্রতারকদের ডাকা জায়গায় গিয়ে নীরজ প্রথমে কাউকে দেখতে পাননি। এরপর দুই ব্যক্তি তাঁর থেকে টাকা দাবি করে। এদের একজন নিজেকে পুলিশ এবং অপরজন সাংবাদিক বলে পরিচয় দেয়। পুরো মামলাটি বন্ধ করার জন্য তারা দু’লক্ষ টাকা চেয়ে বসে। নয়তো আইনি প্রক্রিয়ার হুমকি দেয়। এরপর গুগল পে’র মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা ট্রান্সফার করতে বাধ্য করা হয়। শুধু তাই নয়, তাঁর হাঁটাচলার ভিডিয়োও রেকর্ড করে প্রতারকরা। ডিপফেকের মাধ্যম সেটি ব্যবহার করে অশ্লীল ভিডিয়ো বানানোর পরিকল্পনা ছিল।
নীরজের অভিযোগ পেয়েই সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশের নির্দেশে বিশেষ টিম গঠন করা হয়। শনিবার চক্রের অন্যতম সদস্য রাহুল পাল এবং আকাশকে গ্রেপ্তার করে। বাকিদের ধরতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, অনেকেই এই চক্রের শিকার।