নয়াদিল্লি: জেন জি আন্দোলনের জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা। সবমিলিয়ে চাপে পড়েছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। এই পরিস্থিতিতে নজরে ছিল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন। কিন্তু চারটি পদের মধ্যে তিনটিতেই জয়ী হয়েছে এবিভিপি। এনিয়ে বিরোধী শিবিরে চর্চার অন্ত নেই। এবার সরব হলেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। তাঁর অভিযোগ, এই নির্বাচনে টাকার খেলা হয়েছে। টাকার জোরেই ভোটে জিতেছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। রবিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের দিপকে বলেন, ‘নির্বাচনে টাকাই কাজ করে। আর কিছু না। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাঁরা ভোটে প্রচার করেছেন, তাঁরা কোটি টাকার রোলস রয়েস, বিএমডব্লিউ, অডিতে চড়ে আসেন। ওখানে শুধু টাকার খেলাই হয়েছে।’ তিনি বলেছেন, সরকার আরএসএসের ছাত্র সংগঠনকে সবধরনের সাহায্য করেছে।
ওড়িশায় স্কুলের পাঠ্যবইতে একের পর এক ভুল ধরা পড়ায় গোটা দেশে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। শিক্ষামন্ত্রী নিত্যানন্দ গোন্দের পদতাগ চেয়ে ইতিমধ্যে সত্যাগ্রহ শুরু করেছে নবনির্মাণ যুব ছাত্র সংগঠন। এবার পড়ুয়াদের সেই আন্দোলনকে সমর্থন জানাল সিজেপি। ‘স্কুল ঠিক করো’ অভিযানে বর্তমানে ওড়িশায় রয়েছেন সিজেপি-র কো কনভেনর সৌরভ দাস। তিনি বলেন, পাঠ্যবইয়ে এই ব্যাপক ত্রুটির দায়ভার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
উত্তরাখণ্ডেও চলছে স্কুল ঠিক করো অভিযান। গত পাঁচ বছরে সে রাজ্যে ৮২৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তা নিয়ে আক্রমণ শানিয়েছেন সিজেপির নর্থ জোনের কো-অর্ডিনেটর শ্রেষ্ঠ সিং। ককরোচদের বক্তব্য, রাজ্য সরকারকে ১০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও একটি সঠিক রূপরেখা দিতে হবে। যদি যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে ২ অক্টোবরের পর থেকে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শুরু হবে।