জমজ কন্যাকে গলা কেটে খুন, পুলিশকে ফোন করে আত্মসমর্পণ বাবার
  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০৪
Prefer us on Google

লখনউ, ১৯ এপ্রিল: হাড়হিম করা ঘটনার সাক্ষী উত্তরপ্রদেশ। যমজ কন্যাকে  গলা কেটে হত্যা করল বাবা। অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেই পুলিশকে ফোন করে ঘটনার কথা জানালে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের নাম শশী রঞ্জন মিশ্র। পেশায় তিনি একজন মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ। মূলত বিহারের বাসিন্দা হলেও তিনি পরিবারসহ কানপুরের একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী রেশমা, ১১ বছরের যমজ কন্যা ঋদ্ধি ও সিদ্ধি এবং একটি ছয় বছরের পুত্রসন্তান। 

Advertisement

ঘটনা সূত্রে জানা গিয়াছে, শশী রঞ্জন দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী রেশমার উপর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ করতেন। এই সন্দেহের জেরে বাড়ির ভিতরে একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরাও বসিয়েছিলেন তিনি এমনটাই অভিযোগ। এমনকি স্ত্রীকে দুই কন্যার ঘরে প্রবেশ করতেও বাধা দিতেন তিনি। প্রায়ই স্ত্রীকে ছেলেকে নিয়ে আলাদা থাকার পরামর্শ দিতেন এবং মেয়েদের দায়িত্ব নিজে নেওয়ার কথা বলতেন।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে অভিযুক্ত দুই কন্যাকে নিয়ে ঘুমোতে যান শশী। গভীর রাতে  তিনি দুই কন্যাকে বাথরুমে নিয়ে যান। এরপর ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ নিজেই পুলিশে ফোন করে জানান তার দুই কন্যাকে হত্যা করেছে সে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় দুই শিশুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, স্ত্রীর উপর সন্দেহ থেকেই এই ভয়াবহ অপরাধ। ইতিমধ্যে মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে।