Bartaman Logo
৩১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে যমজ ভাইয়ের একই নম্বর ও র‌্যাঙ্ক, হতে চান চিকিৎসক

মাধ্যমিকে তাঁরা র‌্যাঙ্ক করেছিলেন। সেই ‘ট্র্যাডিশন’ বজায় থাকল উচ্চ মাধ্যমিকেও। তবে এবার তাঁদের সাফল্য অন্য মাত্রা পেয়েছে। কারণ দুই যমজ ভাই উচ্চ মাধ্যমিকে একই নম্বর ও একই র‌্যাঙ্ক করে মেধা তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে যমজ ভাইয়ের একই নম্বর ও র‌্যাঙ্ক, হতে চান চিকিৎসক
  • ৮ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মাধ্যমিকে তাঁরা র‌্যাঙ্ক করেছিলেন। সেই ‘ট্র্যাডিশন’ বজায় থাকল উচ্চ মাধ্যমিকেও। তবে এবার তাঁদের সাফল্য অন্য মাত্রা পেয়েছে। কারণ দুই যমজ ভাই উচ্চ মাধ্যমিকে একই নম্বর ও একই র‌্যাঙ্ক করে মেধা তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।  নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র অনীক বারুই এবং অনীশ বারুই ৪৮৯ পেয়ে রাজ্যে নবম হয়েছেন। দুই ভাই যে একই নম্বর পাবেন, তা অবশ্য কেউই ভাবেননি। দু’জনেই আগামীতে ডাক্তারি নিয়ে পড়তে চান বলে জানিয়েছেন।

Advertisement

জানা গিয়েছে, মাধ্যমিকের ফলাফলে এই দুই ভাইয়ের মধ্যে মাত্র ২ নম্বরের ফারাক ছিল। সেবার অনীশ চতুর্থ এবং অনীক ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছিলেন। কৃতী দুই পড়ুয়া পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলো করতে ভালোবাসেন। অনীশ বলেন, ‘আমরা দু’জনে একই নম্বর পেয়েছি বলে একটা অন্যরকম অনুভূতি হচ্ছে। স্কুলে পড়াশোনা ও প্রস্তুতি একসঙ্গেই করেছি আমরা। ভালো ফল হবে, আশা করেছিলাম।’ এছাড়া, উচ্চ মাধ্যমিকের মেধা তালিকায় নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয় থেকে রয়েছেন অদ্রিজ গুপ্ত এবং রফিত রানা লস্কর। দু’জনেই ৪৯০ পেয়ে অষ্টম স্থানে রয়েছেন। মাধ্যমিকেও মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন তাঁরা। উল্লেখ্য, এবার এই স্কুল থেকে ৮৭ জন উচ্চ মাধ্যমিক দিয়েছিলেন। তিনজন পড়ুয়া এক-দু’নম্বরের জন্য মেধা তালিকায় আসতে পারেননি।
 এদিকে, এবার থেকে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ে একাদশ শ্রেণিতে কমার্স বা বাণিজ্য বিভাগ চালু হতে চলেছে। প্রধান শিক্ষক স্বামী ইশতেশানন্দ বলেন, ‘১৫টি আসন দিয়ে এই বিভাগ চালু হচ্ছে। মিশনের আর কোনও স্কুলে কমার্স নেই। বিজ্ঞান ও আর্টস ছাড়া কমার্স পড়েও যাতে ছাত্ররা ভালো ফল করতে পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’ -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ