Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

১৫০ গ্রাম সোনার গয়না হাতাতেই ছাত্রের মায়ের সঙ্গে প্রেম গৃহশিক্ষকের! শাসন কাণ্ডে অনুমান তদন্তকারীদের

গৃহবধূর সঙ্গে প্রেম জমে উঠেছিল গৃহশিক্ষকের। ‘টার্গেট’ ছিল ছাত্রের মায়ের সোনার গয়না হাতানো।

১৫০ গ্রাম সোনার গয়না হাতাতেই ছাত্রের মায়ের সঙ্গে প্রেম গৃহশিক্ষকের! শাসন কাণ্ডে অনুমান তদন্তকারীদের
  • ১৩ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: গৃহবধূর সঙ্গে প্রেম জমে উঠেছিল গৃহশিক্ষকের। ‘টার্গেট’ ছিল ছাত্রের মায়ের সোনার গয়না হাতানো। তারপরই গৃহবধূকে নিয়ে নিজের মুর্শিদাবাদের বাড়ি চলে যান শিক্ষক শেখ সাবির। গৃহবধূ ১৫০ গ্রাম সোনার গয়না ও দু’লক্ষ টাকা সঙ্গে নিয়ে যায়। শেষমেশ গয়না হাতানোর ছক ভেস্তে দিয়েছে পুলিস। শনিবার রাতে কান্দিতে গিয়ে সাবিরের বাড়ি থেকে বাক্স ভর্তি ১৫০ গ্রাম সোনা উদ্ধার করেছে পুলিস। কিন্তু দু’লক্ষ টাকার মধ্যে মাত্র সাড়ে ২২ হাজার টাকা পুলিস উদ্ধার করতে পেরেছে। ধৃতদের জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, বছর খানেক আগে সাবিরের সঙ্গে পরিচয় হয় শাসনের তেহটা এলাকার গৃহবধূ জাহানারা বিবির (নাম পরিবর্তিত)। তাঁর স্বামী নামী ব্যবসায়ী। ব্যবসার কাজে তিনি অধিকাংশ সময় বাইরে থাকেন। সেই কারণে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। দম্পতির দুই সন্তান বারাসতের কদম্বগাছি এলাকায় একটি স্কুলে পড়াশোনা করে। স্কুলের পাশেই সাবির টিউশন করতেন। প্রতিদিন ছেলে-মেয়েকে সাবিরের কাছে নিয়ে যেতেন জাহানারা। সেই সুযোগে গৃহবধূর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় শিক্ষকের। মাঝেমধ্যে স্বামী না থাকায় সাবির তাদের বাড়ি আসতেন বলেই খবর। ধীরে ধীরে বধূ তার সমস্ত সম্পত্তির কথা সাবিরকে জানায়। আর তাতেই গৃহবধূর প্রতি ‘বাড়তি নজর’ চলে আসে শিক্ষকের, মনে করছেন তদন্তকারীরা। চলতি মাসের ৪ তারিখ দুই সন্তানকে বাড়িতে রেখে সাবিরের সঙ্গে মুর্শিদাবাদ চলে যায় জাহানারা। চুরির অভিযোগ দায়ের হয় শাসন থানায়। তদন্ত নেমে পুলিস মুর্শিদাবাদের কান্দি থেকে দু’জনকে গ্রেপ্তার করে। সূত্রের খবর, জাহানারার স্বামী বছরখানেক আগে বারাসতের একটি নামী শোরুম থেকে দফায় দফায় প্রায় ১৫০ গ্রাম সোনার গয়না কিনে দিয়েছিলেন। জেরায় বধূ পুলিসকে জানিয়েছে, সাবিরের দাদার টাকার প্রয়োজন, সোনা বন্ধক রেখে তা পাওয়া যাবে। তাই সাবিরকে চার মাস আগে হাতের বালা দিয়েছিল সে। সাবির তা এখনও ফেরত দেয়নি। পুলিস সেই সোনা উদ্ধারের চেষ্টা করলেও আপাতত অধরা সেটি। এ বিষয়ে বারাসত পুলিস জেলার অতিরিক্ত পুলিস সুপার স্পর্শ নীলাঙ্গী বলেন, ধৃত দু’জনই এখন পুলিসের হেফাজতে। তাদের জেরা করে বাকি টাকা ও সোনা উদ্ধার করবে পুলিস।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ