পুজো ও বিয়ের কেনাকাটায় জমজমাট সাহাবাবুর আদি ঢাকেশ্বরী
পুজো ও বিয়ের কেনাকাটায় জমজমাট সাহাবাবুর আদি ঢাকেশ্বরী
•পুজোর কেনাকাটার ব্যস্ততা এখন বঙ্গ জুড়ে। সাহাবাবুর আদি ঢাকেশ্বরী প্রাইভেট লিমিটেডও পিছিয়ে নেই। পুজোয় নিজেদের পসরা সাজিয়ে বসেছে এই প্রতিষ্ঠান। ২৫০ টাকা থেকে ৫ লক্ষ টাকা এই বিপুল রেঞ্জের শাড়ি এখানে পাবেন। তবে ‘সাধ্যের মধ্যে সাধপূরণ’ এখানকার মূল মন্ত্র। তাই সব ধরনের বাজেটের ক্রেতারাই এখান থেকে কেনাকাটা করতে পারেন। পুজোয় প্রতিমাকে দেওয়ার তাঁতের বা ছাপা শাড়ির দাম শুরু হচ্ছে ২৫০ টাকা থেকে। এবছর পুজোয় তসর জামদানি, লিনেন, খাঁটি হ্যান্ডলুম এখানে পাবেন মাত্র ১০০০-১২০০ টাকার মধ্যে। ফ্যান্সি শাড়ি শুরু হচ্ছে ৫০০ টাকা থেকে। পিওর সিল্ক শুরু ২৫০০ টাকা থেকে। সিল্কের উপর ডিজিটাল প্রিন্ট, কলাক্ষেত্র, ইক্কত, বালুচরি, ধর্মভরম, ফুলকারি, পচমপল্লি সবই পাবেন। নিজেদের বয়নশিল্পীদের দিয়ে জামদানি বানিয়ে তার উপর কারদানা কাজ এবার এখানকার নয়া চমক। পুজোর সঙ্গে এখানে চলছে বিয়ের বাজারও। নমস্কারি থেকে বেনারসি সবই পাবেন এক ছাদের নীচে। নতুন কালেকশনে নমস্কারিও পাবেন এখানে। এবারে বিয়ের ফ্যাশনে ফ্যান্সি টিস্যু কাঞ্জিভরম পাবন ১৭০০-৫০০০ টাকার রেঞ্জে। অষ্টমী ও বিজয়ার বরণের শাড়িও পাবেন এখানে। ২০০০-২৫০০ টাকা থেকে শুরু লেহেঙ্গা। কাজেই পুজো হোক বা বিয়ের কেনাকাটা, ভরসা হোক সাহাবাবুর আদি ঢাকেশ্বরী। কলেজ স্ট্রিট, বর্ধমান, শিলিগুড়ি, বহরমপুর ও বাংলাদেশের শাখাতেও এই রেঞ্জে শড়ি পাবেন।
জিম্বাবোয়েকে চেনাবে ট্রাভেললাইভ
• ভারতীয় পর্যটকদের কাছে জিম্বাবোয়েকে আরও পরিচিত ও আকর্ষণীয় করে তুলতে জিম্বাবোয়ে ট্যুরিজমের সঙ্গে অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করল ট্রাভেললাইভ। কলকাতায় সংস্থার পঞ্চম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই উদ্যোগের কথা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নয়া দিল্লিতে জিম্বাবোয়ের দূতাবাসের মিনিস্টার কাউন্সেলর ও ট্যুরিজম আধিকারিক সোফিয়া হোপ টি চিম্বা। জিম্বাবোয়ের বন্যপ্রাণ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সংস্কৃতি এবং বৈচিত্রময় পর্যটন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন তিনি। এর পাশাপাশি ভারত ও জিম্বাবোয়ের মধ্যে যে আতিথেয়তার সাংস্কৃতিক মিল রয়েছে সে কথাও উল্লেখ করেন। ট্রাভেললাইভের সিইও পিনাকি মিত্র জানান, আগামী এক বছরে ১০০ জনেরও বেশি ভারতীয় পর্যটককে জিম্বাবোয়েতে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সংস্থার ডিরেক্টর শোম সেনগুপ্ত বলেন, পরিচিত গন্তব্যের বাইরে গিয়ে নতুন প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও মানুষের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়াই এই ধরনের কর্মসূচির লক্ষ্য।
বিউটি উইথ রেসপনসিবিলিটি
•সম্প্রতি মডেলিং, গ্রুমিং ও বিউটি পেজেন্টকে ঘিরে আইজিএলএএম-এর আয়োজনে জুনিয়র, টিন, মিস, মিস্টার ও মিসেস বিভাগে প্রতিযোগীরা নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরেন। ‘বিউটি উইথ রেসপনসিবিলিটি’-এর বার্তা সামনে রেখে গ্র্যান্ড ইভেন্টে ছিল ফাইনালিস্টদের বিশেষ উপস্থাপনা ও পারফরম্যান্স। মিস্টার বেঙ্গল ২০২৬ হন অরিহান্ত ভট্টাচার্য। মিস বেঙ্গল ২০২৬ শ্রীপর্ণা এবং মিসেস বেঙ্গল ২০২৬-এর মুকুট পান প্রিয়াঙ্কা শর্মা রায়। জুনিয়র ও টিন বিভাগে জয়ী ঈশি, দেবেশ ও কেনজিয়া। আইগ্ল্যাম এন্টারটেনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড-এর ডিরেক্টর দেবযানী মিত্রর উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান প্রতিভা, আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক বিশেষ মঞ্চ হয়ে ওঠে।
উৎসবে ‘রঙ্গোলি’র কালেকশন
দুর্গাপুজোর জন্য বাঙালির কেনাকাটা শুরু হয়ে গিয়েছে। আর এই মরশুমে ক্রেতাদের জন্য ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘রঙ্গোলি’ নিয়ে এল তাদের নতুন কালেকশন ‘আরিয়া’। উৎসবের নতুন রঙে ক্রেতাদের মন ভরিয়ে তুলতে থাকছে নানা রঙের শাড়ি। কোনো শাড়ির বর্ডার চোখে পড়ার মতো। কোথাও আবার মন ভুলিয়ে দেবে জরির কাজ। একইসঙ্গে পুরুষদের পোশাকেও রয়েছে প্রচুর সম্ভার। এ প্রসঙ্গে রঙ্গোলি ইন্ডিয়ার ডিরেক্টর নিখিল জৈন বলেন, ‘উৎসবের ফ্যাশনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে আমাদের ঐতিহ্য। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার বিবর্তন প্রয়োজন। ‘আরিয়া’তে আমরা এই দুইয়ের মেলবন্ধন ঘটাতে চেয়েছি।’ সংস্থার গড়িয়াহাট শোরুমে অভিনেত্রী লহমা ভট্টাচার্য ‘আরিয়া’র উদ্বোধন করেন। সঙ্গে ছিলেন নিখিলও।