সংবাদদাতা, শীতলকুচি: একের পর এক পথ দুর্ঘটনায় জেরবার শীতলকুচি- মাথাভাঙা রাজ্যসড়ক। বুধবার ইংরেজি নববর্ষের প্রথমদিনে বড় পিঞ্জারিরঝাড় গ্রামের শিবপুর চৌপথি সংলগ্ন এলাকায় টোটো ও বাইকের সংঘর্ষ ঘটে। এতে জখম হয় বাইক চালক। স্থানীয়রা জখম বাইক চালককে উদ্ধার করে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে পাঠান। রাজ্যসড়কে বারবার যেভাবে দুর্ঘটনা ঘটছে, তাতে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা।
Advertisement
স্থানীয়রা জানান, প্রায় বছর খানেক আগে শীতলকুচি-মাথাভাঙা রাজ্যসড়ক নতুন করে নির্মাণ হয়। বিভিন্ন মোড়গুলি চওড়া করা হলেও রাস্তাটি সম্প্রসারণ হয়নি। এছাড়াও অটো ও টোটোর দৌরাত্ম্যের কারণেই মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটছে। দুর্ঘটনার প্রবণতা কমাতে পর্যাপ্ত পুলিসি নজরদারির পাশাপাশি রাস্তা সম্প্রসারণের জোরালো দাবি উঠছে।
রাজু পাল নামে এক বাসিন্দা জানান, রাজ্য সড়কে বহু যান চলাচল করে। কিন্তু, সেই অনুপাতে রাস্তাটি চওড়া কম। একারণেই দুর্ঘটনা ঘটছে। রাস্তাটি চওড়া হলে দুর্ঘটনা কমবে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তিনি। গৃহবধু টুম্পা দাস জানান, প্রায়দিনই রাজ্য সড়কে দুর্ঘটনার কথা শুনছি। পরিবারের কেউ বাইরে গেলে উৎকণ্ঠায় কাটাতে হয়। দুর্ঘটনা এড়াতে যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এদিনের দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে শীতলকুচি থানার ওসি অ্যান্থনি হোড়ো বলেন, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এনিয়ে ট্রাফিক পুলিসের অবশ্য দাবি, শীতলকুচি মাথাভাঙা সড়কে যথেষ্ট নজরদারি রয়েছে। শীতলকুচি বিডিও সোফিয়া আব্বাস জানান, বিষয়টি লিখিত আকারে জানালে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হবে।
রাজু পাল নামে এক বাসিন্দা জানান, রাজ্য সড়কে বহু যান চলাচল করে। কিন্তু, সেই অনুপাতে রাস্তাটি চওড়া কম। একারণেই দুর্ঘটনা ঘটছে। রাস্তাটি চওড়া হলে দুর্ঘটনা কমবে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তিনি। গৃহবধু টুম্পা দাস জানান, প্রায়দিনই রাজ্য সড়কে দুর্ঘটনার কথা শুনছি। পরিবারের কেউ বাইরে গেলে উৎকণ্ঠায় কাটাতে হয়। দুর্ঘটনা এড়াতে যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এদিনের দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে শীতলকুচি থানার ওসি অ্যান্থনি হোড়ো বলেন, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এনিয়ে ট্রাফিক পুলিসের অবশ্য দাবি, শীতলকুচি মাথাভাঙা সড়কে যথেষ্ট নজরদারি রয়েছে। শীতলকুচি বিডিও সোফিয়া আব্বাস জানান, বিষয়টি লিখিত আকারে জানালে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হবে।



