সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রামপুরহাট পুরসভার উদ্যোগে সোমবার থেকে টোটোয় কিউআর কোড লাগানো শুরু হল। বেশ কয়েকটি টোটোর কাচে কিউআর কোড সাঁটান এলাকার বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন ভকত। শহরের বাইরের টোটোর উপর লাগাম টানতে এবং যাত্রীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে কিউআর কোড বসানো হল বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
Advertisement
রামপুরহাট শহরে টোটোর দাপট কমাতে এর আগে একাধিকবার বৈঠক করেছেন প্রশাসনিক কর্তারা। জোড়-বিজোড় নিয়মে টোটো চলাচলের জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ না নেওয়ায় সেই নিয়ম খাতায় কলমেই থেকে গিয়েছে। গত জুন মাসে কলকাতায় মিটিংয়ে রাজ্যের পুর এলাকাগুলির পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই টোটো নিয়ন্ত্রণে তৎপর হয় প্রশাসন।
জানা গিয়েছে, পুরসভায় রেজিস্ট্রেশন রয়েছে এমন টোটোর সংখ্যা ২১৭৬টি। অথচ প্রতিদিন শহরের রাস্তায় প্রায় ১২ হাজার টোটো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সকাল হতেই গ্রামীণ এলাকা থেকে হাজার হাজার টোটো এসে শহরে যাত্রী চাপিয়ে অবাধে চলাচল করছে। দিনদিন টোটোর দাপট বেড়ে চলায় রাস্তায় বেরিয়ে আমজনতার নাভিশ্বাস উঠেছে। নিত্যদিন শহরের রাস্তায় টোটোর কারণে তীব্র যানজট হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক বৈঠকে টোটোয় লাগাম টানতে কিউআর কোড বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ছ’মাস পর সোমবার থেকে পুরসভায় রেজিস্ট্রেশন থাকা টোটোগুলির কাচে কিউআর কোড বসানো শুরু হল।
এতে কী সুবিধা হবে যাত্রীদের? এই কোড স্ক্যান করলে টোটোর মালিকের যাবতীয় তথ্য জেনে নিতে পারবেন যাত্রীরা। নাম থেকে ফোন নম্বর, ঠিকানা, পুরসভার রেজিস্ট্রেশন নম্বরও পাওয়া যাবে। যাত্রী কোনও সমস্যায় পড়লে বা কোনও টোটোচালক দুর্ব্যবহার করলে সেই টোটোর কিউআর কোড স্ক্যান করে তার যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে সরাসরি পুরসভাকে জানানোর জন্য ই-মেল আইডিও মিলবে। যার ফলে সেই টোটো শনাক্ত করতে অনেকটাই সুবিধা হবে। সেই সঙ্গে নিয়ম মেনে না চললে বা যত্রতত্র পার্কিং করলে পুলিসও সেই কোড স্ক্যান করে টোটোচালককে ধরতে পারবে। এছাড়া কিউআর কোড ছাড়া টোটো শহরের রাস্তায় নামলে সহজে বোঝা যাবে। একদিকে যেমন এই কিউআর কোড লাগানোর ফলে শহরের টোটোমালিক বা চালকের সুবিধা হল। অন্যদিকে, যাত্রীদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত হল।
চেয়ারম্যান বলেন, মহকুমা শাসকের দপ্তর কিউআর কোড তৈরি করে দিয়েছে। আমরা শুধু প্রিন্ট করেছি। শহরে মাত্রাতিরিক্ত যানজট হচ্ছিল। আমরা কোনটা জোড়, কোনটা বিজোড় লাইনের টোটো খুঁজে পাচ্ছিলাম না। অনেকে পুরসভার টিন নকল করে শহরে টোটো নিয়ে চলাচল করছিল। এবার এই কোডের মাধ্যমে ধরা পড়বে। কিউআর কোড ছাড়া শহরে কোনও টোটো চলবে না। এরপরও চলাচল করলে প্রশাসন পদক্ষেপ করবে। পাশাপাশি তিনি বলেন, কোড স্ক্যান করে পুরসভার ইমেল আইডিতে কেউ টোটো সম্পর্কে অভিযোগ বা ট্রোল-ফ্রি নম্বরে ফোন করে জানাতে পারেন। সেক্ষেত্রে অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে সেই টোটোর রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হবে। আশিসবাবু বলেন, বাইরের হাজার হাজার টোটো শহরে আসার ফলে আমাদের চলাচলের জায়গা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতদিন কোনটা শহরের, কোন টোটো বাইরের তা ধরার উপায় ছিল না। এছাড়া ট্রাফিক নিয়ম ভাঙলেই কিউআর কোডের মাধ্যমে ধরা যাবে।
জানা গিয়েছে, পুরসভায় রেজিস্ট্রেশন রয়েছে এমন টোটোর সংখ্যা ২১৭৬টি। অথচ প্রতিদিন শহরের রাস্তায় প্রায় ১২ হাজার টোটো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সকাল হতেই গ্রামীণ এলাকা থেকে হাজার হাজার টোটো এসে শহরে যাত্রী চাপিয়ে অবাধে চলাচল করছে। দিনদিন টোটোর দাপট বেড়ে চলায় রাস্তায় বেরিয়ে আমজনতার নাভিশ্বাস উঠেছে। নিত্যদিন শহরের রাস্তায় টোটোর কারণে তীব্র যানজট হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক বৈঠকে টোটোয় লাগাম টানতে কিউআর কোড বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ছ’মাস পর সোমবার থেকে পুরসভায় রেজিস্ট্রেশন থাকা টোটোগুলির কাচে কিউআর কোড বসানো শুরু হল।
এতে কী সুবিধা হবে যাত্রীদের? এই কোড স্ক্যান করলে টোটোর মালিকের যাবতীয় তথ্য জেনে নিতে পারবেন যাত্রীরা। নাম থেকে ফোন নম্বর, ঠিকানা, পুরসভার রেজিস্ট্রেশন নম্বরও পাওয়া যাবে। যাত্রী কোনও সমস্যায় পড়লে বা কোনও টোটোচালক দুর্ব্যবহার করলে সেই টোটোর কিউআর কোড স্ক্যান করে তার যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে সরাসরি পুরসভাকে জানানোর জন্য ই-মেল আইডিও মিলবে। যার ফলে সেই টোটো শনাক্ত করতে অনেকটাই সুবিধা হবে। সেই সঙ্গে নিয়ম মেনে না চললে বা যত্রতত্র পার্কিং করলে পুলিসও সেই কোড স্ক্যান করে টোটোচালককে ধরতে পারবে। এছাড়া কিউআর কোড ছাড়া টোটো শহরের রাস্তায় নামলে সহজে বোঝা যাবে। একদিকে যেমন এই কিউআর কোড লাগানোর ফলে শহরের টোটোমালিক বা চালকের সুবিধা হল। অন্যদিকে, যাত্রীদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত হল।
চেয়ারম্যান বলেন, মহকুমা শাসকের দপ্তর কিউআর কোড তৈরি করে দিয়েছে। আমরা শুধু প্রিন্ট করেছি। শহরে মাত্রাতিরিক্ত যানজট হচ্ছিল। আমরা কোনটা জোড়, কোনটা বিজোড় লাইনের টোটো খুঁজে পাচ্ছিলাম না। অনেকে পুরসভার টিন নকল করে শহরে টোটো নিয়ে চলাচল করছিল। এবার এই কোডের মাধ্যমে ধরা পড়বে। কিউআর কোড ছাড়া শহরে কোনও টোটো চলবে না। এরপরও চলাচল করলে প্রশাসন পদক্ষেপ করবে। পাশাপাশি তিনি বলেন, কোড স্ক্যান করে পুরসভার ইমেল আইডিতে কেউ টোটো সম্পর্কে অভিযোগ বা ট্রোল-ফ্রি নম্বরে ফোন করে জানাতে পারেন। সেক্ষেত্রে অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে সেই টোটোর রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হবে। আশিসবাবু বলেন, বাইরের হাজার হাজার টোটো শহরে আসার ফলে আমাদের চলাচলের জায়গা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতদিন কোনটা শহরের, কোন টোটো বাইরের তা ধরার উপায় ছিল না। এছাড়া ট্রাফিক নিয়ম ভাঙলেই কিউআর কোডের মাধ্যমে ধরা যাবে।



