নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: জাতীয় ও রাজ্য সড়কে টোটোর গতিবিধি বেঁধে দেওয়া ও রুট নির্দিষ্ট করার জন্য শীঘ্রই নতুন নির্দেশিকা জারি হতে চলেছে বলে জানিয়েছেন বাঁকুড়ার আঞ্চলিক পরিবহণ আধিকারিক (আরটিও) ইন্দ্রনীল চক্রবর্তী। এ ব্যাপারে রাজ্য থেকে নির্দেশিকা আসবে বলে আরটিও জানান। শীতকালে জেলার বড় রাস্তাগুলিতে নিয়ম বহির্ভূতভাবে টোটো বা ই-রিকশ চলাচলে ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে। মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনাও ঘটছে। সেই কারণে পরিবহণ দপ্তর ও প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
Advertisement
আরটিও বলেন, রাজ্য ও জাতীয় সড়কে টোটো বা ই-রিকশ চলাচলের ক্ষেত্রে আগে থেকেই বিধিনিষেধ জারি রয়েছে। বিভিন্ন কারণে তা সর্বত্র লাগু করা যাচ্ছে না। কারণ কোনও এলাকার মাঝ দিয়ে যাওয়া জাতীয় সড়কের দু’ পাশের এলাকার যাত্রীদের নিয়ে টোটো হামেশাই চলাচল করে। এক্ষেত্রে বড় রাস্তায় টোটো ওঠা পুরোপুরি বন্ধ করা যায় না। সেই কারণে রুট ও বিধিনিষেধ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা শীঘ্রই রাজ্য থেকে জেলায় পাঠানো হবে।
উল্লেখ্য, রাজ্য ও জাতীয় সড়কে দ্রুতগতিতে যানবাহন চলাচল করে। ফলে কম গতি সম্পন্ন অটো বা টোটো ওই রাস্তা ধরে যাতায়াতের ফলে বাস, ট্রাকের মতো বড় যানবাহনের গতি রুদ্ধ হচ্ছে। বাড়ছে দুর্ঘটনার সম্ভবনাও। এর আগে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ওই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অটো, টোটোর মতো যান চলাচল বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। তারপরেও জেলায় জেলায় অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি। জাতীয় সড়কের পাশাপাশি বাঁকুড়া-দুর্গাপুর, বাঁকুড়া-ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া-রানিবাঁধে মতো জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য সড়কেও টোটোর দাপট লক্ষ্য করা গিয়েছে। মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনাও ঘটছে। বড় গাড়ির ধাক্কায় টোটো বা অটোর আরোহীদের প্রাণ যাচ্ছে। সেই কারণে মাঝে একবার পরিবহণ দপ্তরের তরফ থেকে জেলাশাসকদের কড়া চিঠি পাঠানো হয়। ওই চিঠি পাওয়ার পর প্রশাসন কী কী পদক্ষেপ করছে তাও দপ্তরকে দ্রুত জানানোর জন্য জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিষয়টি যে খাতায় কলমেই থেকে গিয়েছে, তা জাতীয় ও রাজ্য সড়কগুলিতে চোখ রাখলেই বোঝা যায়।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্ভব হলে জাতীয় বা রাজ্য সড়কে পাকাপাকিভাবে অটো, টোটো চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার জন্য পরিবহণ দপ্তরের কর্তারা বলেছিলেন। একান্তই কোনও জায়গায় স্থানীয়দের চাহিদা থাকলে সংশ্লিষ্ট সবপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের বলা হয়। আঞ্চলিক পরিবহণ দপ্তর এবং ট্রাফিক পুলিসকে সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ছাড় দেওয়া যায় কিনা তা সকলে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় স্থানীয় আধিকারিকদের। এ ব্যাপারে জেলাশাসকদের উপর পরিবহণ দপ্তর দায়িত্ব দিয়েছিল। ফলে গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অটো ও টোটোর দৌরাত্ম্য কমবে বলে দপ্তরের শীর্ষকর্তারা আশা করেছিলেন। কিন্তু ওই নির্দেশিকা সেভাবে কার্যকর হয়নি।
উল্লেখ্য, রাজ্য ও জাতীয় সড়কে দ্রুতগতিতে যানবাহন চলাচল করে। ফলে কম গতি সম্পন্ন অটো বা টোটো ওই রাস্তা ধরে যাতায়াতের ফলে বাস, ট্রাকের মতো বড় যানবাহনের গতি রুদ্ধ হচ্ছে। বাড়ছে দুর্ঘটনার সম্ভবনাও। এর আগে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ওই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অটো, টোটোর মতো যান চলাচল বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। তারপরেও জেলায় জেলায় অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি। জাতীয় সড়কের পাশাপাশি বাঁকুড়া-দুর্গাপুর, বাঁকুড়া-ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া-রানিবাঁধে মতো জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য সড়কেও টোটোর দাপট লক্ষ্য করা গিয়েছে। মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনাও ঘটছে। বড় গাড়ির ধাক্কায় টোটো বা অটোর আরোহীদের প্রাণ যাচ্ছে। সেই কারণে মাঝে একবার পরিবহণ দপ্তরের তরফ থেকে জেলাশাসকদের কড়া চিঠি পাঠানো হয়। ওই চিঠি পাওয়ার পর প্রশাসন কী কী পদক্ষেপ করছে তাও দপ্তরকে দ্রুত জানানোর জন্য জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিষয়টি যে খাতায় কলমেই থেকে গিয়েছে, তা জাতীয় ও রাজ্য সড়কগুলিতে চোখ রাখলেই বোঝা যায়।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্ভব হলে জাতীয় বা রাজ্য সড়কে পাকাপাকিভাবে অটো, টোটো চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার জন্য পরিবহণ দপ্তরের কর্তারা বলেছিলেন। একান্তই কোনও জায়গায় স্থানীয়দের চাহিদা থাকলে সংশ্লিষ্ট সবপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের বলা হয়। আঞ্চলিক পরিবহণ দপ্তর এবং ট্রাফিক পুলিসকে সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ছাড় দেওয়া যায় কিনা তা সকলে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় স্থানীয় আধিকারিকদের। এ ব্যাপারে জেলাশাসকদের উপর পরিবহণ দপ্তর দায়িত্ব দিয়েছিল। ফলে গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অটো ও টোটোর দৌরাত্ম্য কমবে বলে দপ্তরের শীর্ষকর্তারা আশা করেছিলেন। কিন্তু ওই নির্দেশিকা সেভাবে কার্যকর হয়নি।



