নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: কুম্ভে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় উত্তরপ্রদেশ সরকারকে তুলোধোনা করলেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। তিনি যোগী সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে অধীরবাবু বলেন, উত্তরপ্রদেশ সরকার প্রথমে ৩০ জনের মৃত্যুর কথাও বলেনি। যত সময় যাচ্ছে, যত মানুষের চাপ বাড়ছে, তত এই খবর সামনে আসছে। তথ্যের লুকোচুরি না খেলে, নিজেদের ব্যর্থতা কেন স্বীকার করছে না উত্তরপ্রদেশ সরকার। এটাই আমাদের কাছে বড় প্রশ্ন। বৃহস্পতিবার বহরমপুর জেলা কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে অধীরবাবু বলেন, মহাকুম্ভের মহালগ্নে নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করাটাও উত্তর প্রদেশ সরকারের দায়িত্ব বলে মনে করি। যোগী সরকার এখনও পর্যন্ত মানুষের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছে, এটা আমরা সবাই দেখতে পাচ্ছি। আমার নিজের ধারণা, কুম্ভে দুর্ঘটনা নিয়ে অনেক তথ্য এখনও জানার বাকি আছে।
Advertisement
এদিন দুপুরে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদে স্বজনপোষণ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ডেপুটেশন কর্মসূচির ডাক দেয় জেলা কংগ্রেস। পঞ্চাননতলায় জেলা পরিষদের গেটের সামনে মঞ্চ বেঁধে সভা করা হয়। সেখানেও অধীরবাবু একনাগাড়ে কেন্দ্র সরকার ও রাজ্য সরকারকে তুলোধোনা করে। অধীরবাবু বলেন, হিন্দু কিংবা মুসলমান— নির্দিষ্ট কারও প্রতিনিধি হয়ে আমি লোকসভায় যাইনি। আমি মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে লোকসভায় গিয়েছিলাম। সেই দায়িত্ব আমি পালন করতে পেরেছি কিনা, সেটা মানুষই বিচার করুক। আজ যে রাজনীতিতে আমি হেরেছি বা যে রাজনীতির শিকার হয়েছি, সেই রাজনীতির নাম সাম্প্রদায়িক রাজনীতি। তিনি আরও বলেন, ওয়াকফ বিলের মাধ্যমে ভারতবর্ষে আরও একটি বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে, সতর্ক থাকবেন। মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। ভারতের সব রাজ্যে ১০০ দিনের কাজ আছে। কিন্তু এই বাংলায় নেই। এই আবাস যোজনা তৈরি হয় কংগ্রেসের আমলে। আবাস যোজনার অর্থ বাড়ানোর জন্য আমরা দাবি করেছি। ইমাম ও মুয়াজ্জিম ভাতা বাড়াতে হবে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অন্য রাজ্যে বেশি টাকা দেওয়া হয়। অন্যান্য যে রাজ্যে কংগ্রেসের সরকার আছে, সেখানে ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ফ্রিতে দেওয়া হয়। এখানে বিদ্যুতের দাম লাগামছাড়া বাড়ানো হচ্ছে। মানুষের অধিকারের দাবিতে আজ আমাদের ডেপুটেশন।
তবে এদিন কংগ্রেস কর্মীরা ডেপুটেশন দিতে পারেনি। তারা সভাধিপতিকে না পেয়ে তার অফিসের সামনে বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখতে থাকে। পুলিস গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। অধীরবাবু বলেন, ডিসেম্বর মাসে আমরা জেলা পরিষদে একটি চিঠি দিয়ে জানাই, আমরা একটা ডেপুটেশন দেব। সভাধিপতি জানিয়েছিলেন, আপনারা আসুন। এখন দেখছি সভাধিপতি পালিয়েছে। তার চামচারাও পালিয়েছে। জেলা পরিষদের সভাধিপতিকে বলা হয় জেলার মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু উনি একদিন আগে জানাচ্ছেন যে, তিনি থাকতে পারবেন না। আমরা আইনি পরামর্শ নেব এর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা যায়। উত্তর দেওয়ার ক্ষমতা নেই, মানসিক ভাবে ওরা দেউলিয়া। তাই ডেপুটেশন নেওয়ার জন্য কেউ থাকার সাহস দেখায়নি।
জেলা পরিষদের সভাধিপতি ফোনে রুবিয়া সুলতানা বলেন, ডেপুটেশনের যে যে এজেন্ডা ছিল, তার সব কিছু জেলা পরিষদের আয়ত্তে পড়ে না। রাজনৈতিক ভাবে মাটি হারিয়ে কংগ্রেস এখন দেউলিয়া। তাই জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে একটা প্রোগ্রাম নেওয়ার চেষ্টা করেছে। সেখানে গ্রাম বাংলার উন্নয়নের দাবির কথা বলছে। অথচ বর্তমান সরকার গ্রাম বাংলার মানুষকে নিয়ে সবথেকে বেশি ভেবেছে। যে কারণে দুয়ারে সরকারের লাইনে কংগ্রেসের কর্মীদের আগে দেখা যাচ্ছে। মানুষের সুবিধার্থে জেলা পরিষদের বিরোধী সদস্যদেরও সমানভাবে কাজ বণ্টন করা হয়। তারপরেও অপপ্রচার করে ওরা প্রচারে থাকার চেষ্টা করছে।
তবে এদিন কংগ্রেস কর্মীরা ডেপুটেশন দিতে পারেনি। তারা সভাধিপতিকে না পেয়ে তার অফিসের সামনে বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখতে থাকে। পুলিস গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। অধীরবাবু বলেন, ডিসেম্বর মাসে আমরা জেলা পরিষদে একটি চিঠি দিয়ে জানাই, আমরা একটা ডেপুটেশন দেব। সভাধিপতি জানিয়েছিলেন, আপনারা আসুন। এখন দেখছি সভাধিপতি পালিয়েছে। তার চামচারাও পালিয়েছে। জেলা পরিষদের সভাধিপতিকে বলা হয় জেলার মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু উনি একদিন আগে জানাচ্ছেন যে, তিনি থাকতে পারবেন না। আমরা আইনি পরামর্শ নেব এর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা যায়। উত্তর দেওয়ার ক্ষমতা নেই, মানসিক ভাবে ওরা দেউলিয়া। তাই ডেপুটেশন নেওয়ার জন্য কেউ থাকার সাহস দেখায়নি।
জেলা পরিষদের সভাধিপতি ফোনে রুবিয়া সুলতানা বলেন, ডেপুটেশনের যে যে এজেন্ডা ছিল, তার সব কিছু জেলা পরিষদের আয়ত্তে পড়ে না। রাজনৈতিক ভাবে মাটি হারিয়ে কংগ্রেস এখন দেউলিয়া। তাই জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে একটা প্রোগ্রাম নেওয়ার চেষ্টা করেছে। সেখানে গ্রাম বাংলার উন্নয়নের দাবির কথা বলছে। অথচ বর্তমান সরকার গ্রাম বাংলার মানুষকে নিয়ে সবথেকে বেশি ভেবেছে। যে কারণে দুয়ারে সরকারের লাইনে কংগ্রেসের কর্মীদের আগে দেখা যাচ্ছে। মানুষের সুবিধার্থে জেলা পরিষদের বিরোধী সদস্যদেরও সমানভাবে কাজ বণ্টন করা হয়। তারপরেও অপপ্রচার করে ওরা প্রচারে থাকার চেষ্টা করছে।



