সংবাদদাতা, কান্দি: বন্যায় প্রচুর তুঁতগাছ নষ্ট হওয়ার পর এবার পলুচাষেও সঙ্কট দেখা দিয়েছে খড়গ্রাম ব্লক এলাকায়। বছরের এই সময় পলু চাষের আর্দশ সময় হলেও তুঁতপাতার অভাবে পলু পোকার চাষ কমিয়ে দিচ্ছেন চাষিরা। পোকার খাবার জোগাড়ের সমস্যার কারণেই চাষ কমছে বলে চাষিরা জানিয়েছেন।
Advertisement
খড়গ্রাম ব্লক সেরিকালচার দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই এলাকার সবচেয়ে বেশি পলু পোকার চাষ হয়ে থাকে ঝিল্লি ও পদমকান্দি পঞ্চায়েত এলাকায়। ওইসকল এলাকার কয়েকটি গ্রামের শতকরা ৯৯ শতাংশ বাসিন্দা পলু চাষের উপর নির্ভরশীল। এলাকার কেলাই, যাদবপুর, টিঠিডাঙা, ভুষকুল ইত্যাদি গ্রামের প্রায় সমস্ত পরিবার পলু চাষ করে থাকেন। কিন্তু এবছর বন্যায় ওই এলাকায় তুঁত গাছের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কার্যত মাসভর তুঁতের জমি বন্যার জলে ঢাকা পড়েছিল। তুঁত গাছের পাতাই হল পলু পোকার একমাত্র খাবার।
পলু চাষিরা জানিয়েছেন, বছরের চারটি সময়ে পলু পোকার চাষ করা হয়। যদিও কয়েকদিনের মধ্যে যে পলু চাষ করা হবে সেটাই হল বছরের সেরা সময়। এই সময় পলু পোকা ১০০ শতাংশ পেকে ওঠে। এটাকে অঘ্রাণি বন্দ বলা হয়। এই সময়েব পলু চাষ সারা বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি লাভজনক। কিন্তু সমস্যা দাঁড়িয়েছে পলু পোকার খাবারের। এলাকার তুঁত গাছগুলি নষ্ট হওয়ায় পর পাতা জোগাড়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে চাষিদের। ভুষকুল গ্রামের পলু চাষি সেন্টু শেখ বলেন, বন্যায় এলাকার সমস্ত নিচু জমির তুঁত গাছ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আবার নতুন গাছ এখনও সমস্ত জমিতে লাগানো যায়নি। শুধুমাত্র কিছু পরিমাণ উঁচু জমিতে গাছ লাগানো হয়েছে। তা থেকে এলাকার চাহিদা মিটবে না। তাই বাধ্য হয়ে অনেকে এবছর পলু চাষ কমিয়ে দিচ্ছেন। যাদবপুর গ্রামের পলু চাষি আলামত শেখ বলেন, প্রতিবছর আমরা এই সিজনে ৪০০ ডিমের পলু চাষ করে থাকি। কিন্তু পাতার অভাবে এবছর মাত্র ৫০ ডিমের চাষ করার সামর্থ্য রয়েছে। কাজেই চাষ কম হবে। উল্লেখ্য ৫০টি ডিম দিয়ে ১০০ ডালিতে পলু পোকার চাষ করা যায়।
এদিকে পলু চাষিরা প্রতিবেশী এলাকা থেকেও তুঁত পাতার আমদানি করে চাষ করার পরিকল্পনা নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে তাঁদের সমস্যা হচ্ছে অল্প পরিমাণ চাষের জন্য বাইরে থেকে পাতা আমদানি করা অলাভজনক। কেলাই গ্রামের চাষি সুফিউর রহমান, মতলেব শেখ, সবুজ আলি প্রমুখ জানিয়েছেন, যদি চাষিরা একসঙ্গে পাতা আমদানি করার পরিকল্পনা করেন তাহলে সমস্যা নেই। কিন্তু কোনও চাষির একার পক্ষে বাইরে থেকে পাতা আমদানি করা লোকসানের। আমদানি খরচ উঠবে না। সাধারণত ওই এলাকার চাষিরা সমস্যায় পড়লে প্রতিবেশী নবগ্রাম ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম থেকে তুঁত পাতা আমদানি করেন।
পলু চাষিরা জানিয়েছেন, বছরের চারটি সময়ে পলু পোকার চাষ করা হয়। যদিও কয়েকদিনের মধ্যে যে পলু চাষ করা হবে সেটাই হল বছরের সেরা সময়। এই সময় পলু পোকা ১০০ শতাংশ পেকে ওঠে। এটাকে অঘ্রাণি বন্দ বলা হয়। এই সময়েব পলু চাষ সারা বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি লাভজনক। কিন্তু সমস্যা দাঁড়িয়েছে পলু পোকার খাবারের। এলাকার তুঁত গাছগুলি নষ্ট হওয়ায় পর পাতা জোগাড়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে চাষিদের। ভুষকুল গ্রামের পলু চাষি সেন্টু শেখ বলেন, বন্যায় এলাকার সমস্ত নিচু জমির তুঁত গাছ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আবার নতুন গাছ এখনও সমস্ত জমিতে লাগানো যায়নি। শুধুমাত্র কিছু পরিমাণ উঁচু জমিতে গাছ লাগানো হয়েছে। তা থেকে এলাকার চাহিদা মিটবে না। তাই বাধ্য হয়ে অনেকে এবছর পলু চাষ কমিয়ে দিচ্ছেন। যাদবপুর গ্রামের পলু চাষি আলামত শেখ বলেন, প্রতিবছর আমরা এই সিজনে ৪০০ ডিমের পলু চাষ করে থাকি। কিন্তু পাতার অভাবে এবছর মাত্র ৫০ ডিমের চাষ করার সামর্থ্য রয়েছে। কাজেই চাষ কম হবে। উল্লেখ্য ৫০টি ডিম দিয়ে ১০০ ডালিতে পলু পোকার চাষ করা যায়।
এদিকে পলু চাষিরা প্রতিবেশী এলাকা থেকেও তুঁত পাতার আমদানি করে চাষ করার পরিকল্পনা নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে তাঁদের সমস্যা হচ্ছে অল্প পরিমাণ চাষের জন্য বাইরে থেকে পাতা আমদানি করা অলাভজনক। কেলাই গ্রামের চাষি সুফিউর রহমান, মতলেব শেখ, সবুজ আলি প্রমুখ জানিয়েছেন, যদি চাষিরা একসঙ্গে পাতা আমদানি করার পরিকল্পনা করেন তাহলে সমস্যা নেই। কিন্তু কোনও চাষির একার পক্ষে বাইরে থেকে পাতা আমদানি করা লোকসানের। আমদানি খরচ উঠবে না। সাধারণত ওই এলাকার চাষিরা সমস্যায় পড়লে প্রতিবেশী নবগ্রাম ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম থেকে তুঁত পাতা আমদানি করেন।



