সংবাদদাতা, কাঁথি: স্কুলের মধ্যে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে অশ্লীল ভিডিও দেখানো ও তার শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষককে ব্যাপক মারধর করেন অভিভাবকরা। এনিয়ে বৃহস্পতিবার উত্তেজনা ছড়ায় ভগবানপুরের রায়বাড় বোর্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পুলিস ওই শিক্ষককে উদ্ধার করতে গেলে বিক্ষোভের মুখে পড়ে। অভিযুক্তকে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানান অভিভাবকরা। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম সুব্রত দাস। বাড়ি ভগবানপুরের পশ্চিম মাশুড়িয়া এলাকায় বলে জানা গিয়েছে। ওসি শাহেনশা হক বলেন, ওই শিক্ষককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে রাত পর্যন্ত অভিভাবকদের কেউ অভিযোগ দায়ের করেননি। তদন্ত চলছে।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভগবানপুরের বিভীষণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চারজন শিক্ষক এবং ৫০ জনের কাছকাছি ছাত্রছাত্রী রয়েছে। বুধবার স্কুলের টিফিন টাইমে আড়ালে ডেকে নিয়ে গিয়ে ওই ছাত্রীকে অভিযুক্ত শিক্ষক অশ্লীল ভিডিও দেখান এবং তার শ্লীলতাহানি করেন বলে অভিযোগ। সে বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানালে বৃহস্পতিবার ছাত্রীর পরিবার সহ বেশকিছু অভিভাবক বিদ্যালয়ে এসে জড়ো হন। তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। বিক্ষোভের মুখে ওই শিক্ষক তাঁর অপরাধ স্বীকার করে বয়ান দেন, ‘মেয়েদের উপর খারাপ আচরণের জন্য আমি একমাসের মধ্যে ট্রান্সফার নিতে ইচ্ছুক’।
বিক্ষোভের ফাঁকে অভিযুক্ত শিক্ষক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সেই সময় অভিযুক্তকে ধাওয়া করে গণধোলাই দেন অভিভাবকরা। অভিভাবকরা বলেন, ওই শিক্ষক এর আগেও এই ধরনের কাণ্ড ঘটিয়েছেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অশোক মণ্ডল বলেন, পুলিস-প্রশাসন ঘটনার তদন্ত করছে। এর বেশি কিছু বলব না। এদিকে তৃণমূল পরিচালিত ভগবানপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অরূপসুন্দর পণ্ডা বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক বিজেপি কর্মী। এর আগে তিনি বিভীষণপুর এলাকায় আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। আমরা তার শাস্তির দাবি করছি।
বিক্ষোভের ফাঁকে অভিযুক্ত শিক্ষক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সেই সময় অভিযুক্তকে ধাওয়া করে গণধোলাই দেন অভিভাবকরা। অভিভাবকরা বলেন, ওই শিক্ষক এর আগেও এই ধরনের কাণ্ড ঘটিয়েছেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অশোক মণ্ডল বলেন, পুলিস-প্রশাসন ঘটনার তদন্ত করছে। এর বেশি কিছু বলব না। এদিকে তৃণমূল পরিচালিত ভগবানপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অরূপসুন্দর পণ্ডা বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক বিজেপি কর্মী। এর আগে তিনি বিভীষণপুর এলাকায় আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। আমরা তার শাস্তির দাবি করছি।



