সংবাদদাতা, সিউড়ি: সিউড়ি থেকে বিভিন্ন রুটে চলা বেসরকারি বাস একের পর এক বসে যাচ্ছে। বাসরুটগুলিতে টোটো ও অটোর রমরমায় লোকসানের জেরে বাস চলা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন মালিকরা। তার বড় উদাহরণ সিউড়ি-সাঁইথিয়া রুট। এছাড়াও সিউড়ি থেকে বক্রেশ্বর, রাজনগর, দুবরাজপুর, সাঁইথিয়া, বোলপুর, আহমদপুর সহ একাধিক রুটে কমে যাচ্ছে বেসরকারি বাসের সংখ্যা। বাস মালিকদের অভিযোগ, এই রুটগুলিতে আগে সাধারণ মানুষ বেসরকারি বাসেই যাতায়াত করতেন। সিউড়ি থেকে বেরলেই একাধিক গ্রামীণ এলাকা। সেই গ্রামের বাসিন্দারা বাসে করেই সিউড়িতে যাতায়াত করতেন। কিন্তু, এখন সিউড়ির কাছাকাছি গ্রামীণ এলাকার বাসরুটে টোটো ও অটোতেই যাত্রীরা বেশি যাতায়াত করছেন। ফলে লোকসানের মুখে পড়ছেন বাস মালিকরা।
Advertisement
তবে যাত্রীরা বলেন, আগে বাসের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হতো। তাছাড়া বাসে বসার জায়গা পাওয়া যেত না। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে যেত হতো। কিন্তু সামান্য বেশি ভাড়া দিয়ে এখন টোটো বা অটোতে নিশ্চিন্তে যাওয়া যায়। আর দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষাও করতে হচ্ছে না। বাস মালিকদের অভিযোগ, সরকারি নিয়মানুযায়ী টোটো বা অটো গ্রামাঞ্চলের ভিতরে এবং শহরাঞ্চলের ভিতরে রাস্তায় চলাচল করার কথা। এলাকার স্থানীয় যাত্রীদের পরিষেবা দেওয়ার জন্য এই গাড়িগুলি রয়েছে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এখন টোটো এবং অটো চালকরা বাসরুটগুলিতে যাত্রী পরিবহণ শুরু করেছেন। সিউড়ি থেকে দুবরাজপুর যাওয়ার পথে মিনিস্টিল, পানুরিয়া, কচুজোড়, চিনপাই সহ একাধিক জায়গায় টোটো এবং অটো চালকরা যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করছে। যেখানে এই জাতীয় সড়কে ছোট গাড়ি ওঠা সরকারিভাবে নিষিদ্ধ রয়েছে সেখানে অবাধে চলছে টোটো ও অটো। ফলে সামান্য দূরত্ব যেতে বেশিরভাগ মানুষ বাসে উঠতে অনীহা দেখাচ্ছেন। আর সে জন্য লাগাতার লোকসানের কারণে বাস চালানো যাচ্ছে না।
বাস মালিকদের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, সিউড়ি বাসস্ট্যান্ড থেকে একসময় দুশোর বেশি বেসরকারি বাস বিভিন্ন রুটে যাতায়াত করত। এখন তা কমে প্রায় ১২০টিতে দাঁড়িয়েছে। মালিকরা বাসগুলি বিক্রি করে দিয়েছেন। সবথেকে বেশি প্রভাব পড়েছে সিউড়ি-সাঁইথিয়া রুটে। সেখানে মাত্র তিনটি বেসরকারি বাস চলছে। বোলপুর, আহমদপুর, দুবরাজপুর, রাজনগর রুটেরও একই অবস্থা। এই বাসরুটে টোটো ও অটোর দৌরাত্ম্য বন্ধের জন্য রাজ্য ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে বলে দাবি বাস মালিকদের। সিউড়ি বাস ও মিনিবাস অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক আব্দুল আজিম বলেন, একে একে সব রুটের বাস চলা বন্ধ করছেন মালিকরা। তার কারণ টোটো ও আটোর জন্য যাত্রীর সংখ্যা কমে গিয়েছে। ফলে লোকসান হচ্ছে মালিকদের।
বাস মালিকদের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, সিউড়ি বাসস্ট্যান্ড থেকে একসময় দুশোর বেশি বেসরকারি বাস বিভিন্ন রুটে যাতায়াত করত। এখন তা কমে প্রায় ১২০টিতে দাঁড়িয়েছে। মালিকরা বাসগুলি বিক্রি করে দিয়েছেন। সবথেকে বেশি প্রভাব পড়েছে সিউড়ি-সাঁইথিয়া রুটে। সেখানে মাত্র তিনটি বেসরকারি বাস চলছে। বোলপুর, আহমদপুর, দুবরাজপুর, রাজনগর রুটেরও একই অবস্থা। এই বাসরুটে টোটো ও অটোর দৌরাত্ম্য বন্ধের জন্য রাজ্য ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে বলে দাবি বাস মালিকদের। সিউড়ি বাস ও মিনিবাস অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক আব্দুল আজিম বলেন, একে একে সব রুটের বাস চলা বন্ধ করছেন মালিকরা। তার কারণ টোটো ও আটোর জন্য যাত্রীর সংখ্যা কমে গিয়েছে। ফলে লোকসান হচ্ছে মালিকদের।



