সংবাদদাতা, ফালাকাটা: ফালাকাটা শহরে চলাচলকারী অধিকাংশ টোটোর রেজিস্ট্রেশন দিয়েছে পুরসভা। অথচ টোটোভাড়ার তালিকা তৈরি করেননি এখনও। যার ফলে খেয়ালখুশি মতো ভাড়া চেয়ে বসছেন টোটোচালকরা। সন্ধ্যার পর ভাড়া চাইছেন দ্বিগুণ। এ নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে চালকদের রোজ ঝামেলা হচ্ছে। ক্ষোভ বাড়ছে যাত্রীদের।
Advertisement
ফালাকাটা পুরসভা সূত্রে গিয়েছে, শহরের প্রায় ৭০০ টোটোকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার কাজ শুরু করেছিল পুরসভা। চালকদের পরিচয়পত্রও দেওয়া হয়। শহরের যানজট রোখা সহ আরও একাধিক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ছিল এই উদ্যোগ। কিন্তু অভিযোগ, এমন উদ্যোগের পরেও শহরে যানজট কমেনি।
অভিযোগ, শহরে রেজিষ্ট্রেশনযুক্ত সাড়ে ছ’শোর টোটো চললেও তার তিনগুণ চলছে রেজিষ্ট্রেশনহীন। এই টোটোর একটি অংশের বিরুদ্ধেই এলাকাভিত্তিক বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ আসছে।
শহরের বাসিন্দা শিখা দাস, মিতালি দত্ত, প্রবাল সাহা প্রমুখ বলেন, দু’কিমি গেলেই মর্জিমতো ভাড়া চাইছেন টোটোচালকরা। সন্ধ্যার পর তা দ্বিগুণ হয়ে যায়। সর্বাণী সাহা, বর্ণালি বর্মন বলেন, অন্য শহরের তুলনায় ফালাকাটায় টোটোভাড়া বেশি। সন্ধ্যার পরে ভাড়া ৩০ টাকা। ভাড়ার তালিকা তৈরি হলে এই সমস্যা মিটবে।
টোটোচালক ধীরেন মণ্ডল বলেন, আমরা নিজেরাই জানি না, কোন এলাকায় কত ভাড়া। শহরের মধ্যে ১০ থেকে ১৫ টাকা নেই। আরএক টোটোচালক শ্যামল বর্মন বলেন, অনেক যাত্রী দূরবর্তী এলাকায় গিয়ে ১০ টাকা ভাড়া দেন। তাতে কি আর আমাদের চলে! তখনই ঝামেলা হয়। এর চেয়ে বরং পুরসভা ভাড়ার তালিকা তৈরি করে দিলে ঝামেলা হয় না।
এ বিষয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ মুহুরি বলেন, শহরে টোটো নিয়ন্ত্রণ করা পুরসভা হাতে নেই। বাইরে বহু টোটো আসছে। যার জেরে এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। আমার এসব নিয়ে পুরসভার আগামী বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেব।
অভিযোগ, শহরে রেজিষ্ট্রেশনযুক্ত সাড়ে ছ’শোর টোটো চললেও তার তিনগুণ চলছে রেজিষ্ট্রেশনহীন। এই টোটোর একটি অংশের বিরুদ্ধেই এলাকাভিত্তিক বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ আসছে।
শহরের বাসিন্দা শিখা দাস, মিতালি দত্ত, প্রবাল সাহা প্রমুখ বলেন, দু’কিমি গেলেই মর্জিমতো ভাড়া চাইছেন টোটোচালকরা। সন্ধ্যার পর তা দ্বিগুণ হয়ে যায়। সর্বাণী সাহা, বর্ণালি বর্মন বলেন, অন্য শহরের তুলনায় ফালাকাটায় টোটোভাড়া বেশি। সন্ধ্যার পরে ভাড়া ৩০ টাকা। ভাড়ার তালিকা তৈরি হলে এই সমস্যা মিটবে।
টোটোচালক ধীরেন মণ্ডল বলেন, আমরা নিজেরাই জানি না, কোন এলাকায় কত ভাড়া। শহরের মধ্যে ১০ থেকে ১৫ টাকা নেই। আরএক টোটোচালক শ্যামল বর্মন বলেন, অনেক যাত্রী দূরবর্তী এলাকায় গিয়ে ১০ টাকা ভাড়া দেন। তাতে কি আর আমাদের চলে! তখনই ঝামেলা হয়। এর চেয়ে বরং পুরসভা ভাড়ার তালিকা তৈরি করে দিলে ঝামেলা হয় না।
এ বিষয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ মুহুরি বলেন, শহরে টোটো নিয়ন্ত্রণ করা পুরসভা হাতে নেই। বাইরে বহু টোটো আসছে। যার জেরে এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। আমার এসব নিয়ে পুরসভার আগামী বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেব।



