সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: তিস্তার গ্রাসে কার্যত নিশ্চিহ্ন জলপাইগুড়ি জেলার লালটং ও চমকডাঙির ১৩১টি পরিবারকে পাট্টা সহ বিকল্প জমি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এবারের বর্ষায় ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের ডাবগ্রাম-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের এই এলাকা ভেসে যায়। মহানন্দা অভয়ারণ্যের ভিতরে এই গ্রামে ১৩১টি পরিবার রয়েছে। তিস্তার ছোবলে আজ তারা খোলা আকাশের নিচে এসে দাঁড়িয়েছে। বাড়িঘর সব তছনছ হয়ে গিয়েছে। কিছু বাড়ি ঠিক থাকলেও সেখানে আর বসবাস করা নিরাপদ নয়।
Advertisement
এখনও মাথার উপরে ছাদ নেই। ঠান্ডা পড়েছে। অনেকে শালুগাড়ার একটি স্কুলে শেল্টার হাউসে আছেন। কেউবা ঠাঁই নিয়েছেন আত্মীয়ের বাড়ি। গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে এখনও তাঁদের খাবার দেওয়া হচ্ছে। জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের এই অঞ্চলের সদস্য মণীষা রায় বলেন, এখানকার ১৩১টি পরিবার পথে বসেছে। এদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ শুরু হয়েছে। জমি দেওয়া হবে। শিবনগর, ছোট ফাঁপড়ি ও রাজ ফাঁপড়িতে এদের জন্য জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৩১টি পরিবারকে সেখানে পাট্টা দেওয়া হবে। সেই মতো সকলের পাট্টার আবেদন সংগ্রহ করে আমরা রাজগঞ্জ বিডিও অফিসে জমা করেছি। জেলাশাসকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, দ্রুত এদের পাট্টা সহ জমি দেওয়ার বিষয়টি সম্পন্ন হবে আশা করছি।
মণীষা রায় আরও বলেন, এবারের বর্ষায় বিধ্বস্ত চমকডাঙি ও লালটং বস্তিবাসীর পাশে আমরা প্রথস থেকেই দাঁড়িয়েছি। রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায়, শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবকে নিয়ে পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে আমরা সবসময় অসহায় মানুষের পাশে থাকি। সেই মতো সরকারি উদ্যোগে তাদের পাট্টা সহ জমির ব্যবস্থা করার কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। এই ১৩১টি পরিবারকে পাট্টা সহ জমি দেওয়ার পর সরকারের তরফে তাদের ঘর তৈরি করে দেওয়ার ব্যাপারেও চেষ্টা চলছে।
মণীষা রায় আরও বলেন, এবারের বর্ষায় বিধ্বস্ত চমকডাঙি ও লালটং বস্তিবাসীর পাশে আমরা প্রথস থেকেই দাঁড়িয়েছি। রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায়, শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবকে নিয়ে পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে আমরা সবসময় অসহায় মানুষের পাশে থাকি। সেই মতো সরকারি উদ্যোগে তাদের পাট্টা সহ জমির ব্যবস্থা করার কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। এই ১৩১টি পরিবারকে পাট্টা সহ জমি দেওয়ার পর সরকারের তরফে তাদের ঘর তৈরি করে দেওয়ার ব্যাপারেও চেষ্টা চলছে।



