সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: দ্বাদশ শ্রেণির টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য পড়ুয়াদের পাশ করাতে ফোন করে হাজার টাকার দাবি করার অভিযোগ উঠল ফাঁসিদেওয়ার বিধাননগর সন্তোষীণি বিদ্যাচক্র উচ্চ বিদ্যালয়ের টিআইসি’র বিরুদ্ধে। শনিবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে। এদিকে, বিষয়টি সামনে আসতেই পাল্টা হোয়াটসঅ্যাপে টাকা ফেরত দেওয়ার মেসেজ পাঠিয়েছেন টিআইসি।
Advertisement
স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, এবছর দ্বাদশ শ্রেণিতে ১৮২ জন টেস্ট পরীক্ষা দিয়েছিল। তাদের মধ্যে ৭২ জন ফেল করে। অভিযোগ, তাদের প্রত্যেককে ফোন মারফত হাজার টাকার বিনিময়ে পাশ করিয়ে চূড়ান্ড পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপের প্রস্তাব দেন টিআইসি। বেশকিছু ছাত্রছাত্রী হাজার টাকা করে দিয়েও দেয়। তবে অনেকে এনিয়ে শোরগোল শুরু করে। বিশাল ঘোষ নামে এক ছাত্র বলে, স্যার ফোনে টেস্ট পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দিতে হাজার টাকা ফাইন চেয়েছিলেন। সেইমতো আমরা অনেকে টাকা দিয়েছি। এদিন আবার মেসেজ করে জানিয়েছেন, যারা টেস্ট পরীক্ষায় ফেল করেছে এবং ফাইনাল পরীক্ষার ফর্ম ফিল-আপের জন্য হাজার টাকা দিয়েছে, তারমধ্যে লেট ফাইন নিয়ে বাকি টাকা ফেরত দেওয়া হবে।
স্কুলের টিচার ইনচার্জ অলোককুমার বিশ্বাস বলেন, অভিযোগ ভিত্তিহীন। তারা টেস্টে ফেল করেছে। তবে ফাইনাল পরীক্ষার জন্য ফর্ম ফিল-আপ চলছে। যারা পাশ করেছিল তাদের ফর্ম ফিল-আপ হয়ে গিয়েছে। যারা ফেল করছিল, সংসদের নির্দেশ অনুযায়ী তাদের কাছ থেকে লেট ফাইন ও শিক্ষাসফরের খরচ বাবদ টাকা নেওয়া হয়েছিল। খুচরো না থাকায় পুরো টাকা নেওয়া হয়েছিল। এখন বাকি যে যেমন পাবে ফেরত দেওয়া হবে। এজন্য মেসেজ করা হয়েছে। ৭২ জন ফেল করেছে। তারমধ্যে ২৫ জন এসেছিল।
স্কুলের পরিচালন কমিটির সভাপতি শিবেশ ভৌমিক বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খতিয়ে দেখছি। শিলিগুড়ির ডিআই রাজীব প্রামাণিক বলেন, বিষয়টি নিয়ে কোনও অভিযোগ পাইনি। তবে দেখছি। লেট ফাইন স্কুল নিতে পারে না। তা কাউন্সিল নেয়।
স্কুলের টিচার ইনচার্জ অলোককুমার বিশ্বাস বলেন, অভিযোগ ভিত্তিহীন। তারা টেস্টে ফেল করেছে। তবে ফাইনাল পরীক্ষার জন্য ফর্ম ফিল-আপ চলছে। যারা পাশ করেছিল তাদের ফর্ম ফিল-আপ হয়ে গিয়েছে। যারা ফেল করছিল, সংসদের নির্দেশ অনুযায়ী তাদের কাছ থেকে লেট ফাইন ও শিক্ষাসফরের খরচ বাবদ টাকা নেওয়া হয়েছিল। খুচরো না থাকায় পুরো টাকা নেওয়া হয়েছিল। এখন বাকি যে যেমন পাবে ফেরত দেওয়া হবে। এজন্য মেসেজ করা হয়েছে। ৭২ জন ফেল করেছে। তারমধ্যে ২৫ জন এসেছিল।
স্কুলের পরিচালন কমিটির সভাপতি শিবেশ ভৌমিক বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খতিয়ে দেখছি। শিলিগুড়ির ডিআই রাজীব প্রামাণিক বলেন, বিষয়টি নিয়ে কোনও অভিযোগ পাইনি। তবে দেখছি। লেট ফাইন স্কুল নিতে পারে না। তা কাউন্সিল নেয়।



