নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: স্কুলের পরীক্ষার দিনই গলায় দড়ি দিয়ে দ্বাদশ শ্রেণির এক পরীক্ষার্থী আত্মঘাতী হল। মৃতের নাম শিবেশ হাটুই(১৭)। বাড়ি পাঁশকুড়া পুরসভার ১নম্বর ওয়ার্ডে বাহারগ্রামের দাসপল্লিতে। ওই ছাত্র ভোগপুর কেনারাম মেমোরিয়াল হাইস্কুলে পড়াশোনা করত। সায়েন্স বিভাগে মেধাবী ছাত্র হিসেবে স্কুলে পরিচিতি ছিল সে। ক্লাসে তার রোল নম্বর ছিল ৫। মাধ্যমিকে ৯৪শতাংশ নম্বর পেয়েছিল শিবেশ। মোট প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৬৬৫। বাবা শিবনাথ হাটুই রাজ্য সরকারের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের ডেপুটি সেক্রেটারি পদে কর্মরত। শিবেশের দিদি এমএসসি পাশ করে কল্যাণীতে একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেন। সোমবার থেকে শিবেশের স্কুলে দ্বাদশ শ্রেণির টেস্ট পরীক্ষা শুরু হয়। আর পরীক্ষা শুরুর দিন সকালেই ওই ছাত্রের মর্মান্তিক পরিণতিতে গোটা এলাকা শোকস্তব্ধ।
Advertisement
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, পড়াশোনা নিয়ে শিবেশের উপর চাপ ছিল। পরিবার থেকে ভালো ফলের চাপ ছিল। কিন্তু, টেস্ট পরীক্ষায় সেভাবে প্রস্তুতি নিতে পারেনি শিবেশ। ভালো ফল নিয়ে ভয় ও আতঙ্ক থেকেই ওই মেধাবী ছাত্র এমন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে পুলিস প্রাথমিক তদন্তে জেনেছে। এদিন সকাল ৯টা নাগাদ শিবেশের খোঁজ পাওয়া যায়নি। বাড়ির কাজের লোক জানালার ফাঁক দিয়ে তাকে ঝুলতে দেখে চিৎকার করেন। সিলিং ফ্যানে দিদির ওড়না বেঁধে ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়। সঙ্গে সঙ্গে থানায় খবর দেওয়া হয়। ঘরের দরজা ভিতর থেকে ছিটকিনি তোলা ছিল। পাঁশকুড়া থানার পুলিস এসে দরজা ভেঙে দেহ নামিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
সোমবার সকালে ভোগপুর স্কুল খোলার পর মেধাবী ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর পৌঁছে যায়। এদিন স্কুলে প্রধান শিক্ষক সুবীর মাইতি ছিলেন না। ফোনে তাঁকে সবটা জানানো হয়। ছাত্রের মৃত্যুর পর স্কুল হবে কিনা তা নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন জায়গায় ফোন করে। যদিও রুটিনমাফিক পরীক্ষা হয়েছে। দুপুরে স্কুলের চারজন শিক্ষক শিবেশের বাড়িতে যান। আশপাশের এলাকা থেকে প্রচুর লোকজন ওই ছাত্রের বাড়িতে হাজির হন। ছেলেকে হারিয়ে বাবা-মা বুকফাটা কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রতিবেশীরাও শোকস্তব্ধ।
সোমবার সকালে ভোগপুর স্কুল খোলার পর মেধাবী ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর পৌঁছে যায়। এদিন স্কুলে প্রধান শিক্ষক সুবীর মাইতি ছিলেন না। ফোনে তাঁকে সবটা জানানো হয়। ছাত্রের মৃত্যুর পর স্কুল হবে কিনা তা নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন জায়গায় ফোন করে। যদিও রুটিনমাফিক পরীক্ষা হয়েছে। দুপুরে স্কুলের চারজন শিক্ষক শিবেশের বাড়িতে যান। আশপাশের এলাকা থেকে প্রচুর লোকজন ওই ছাত্রের বাড়িতে হাজির হন। ছেলেকে হারিয়ে বাবা-মা বুকফাটা কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রতিবেশীরাও শোকস্তব্ধ।



