Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

ভারতের উদাহরণ টেনে নির্বাচন প্রক্রিয়া বদলের নির্দেশ ট্রাম্পের

২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে হেরে গিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারপরই ভোট প্রক্রিয়ার অস্বচ্ছ্বতাকে দায়ী করেছিলেন তিনি। ফের ক্ষমতায় এসেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় খোলনলচে বদলে ফেলার পথে হাঁটলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ভারতের উদাহরণ টেনে নির্বাচন প্রক্রিয়া বদলের নির্দেশ ট্রাম্পের
  • ২৭ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০১
Prefer us on Google

ওয়াশিংটন: ২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে হেরে গিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারপরই ভোট প্রক্রিয়ার অস্বচ্ছ্বতাকে দায়ী করেছিলেন তিনি। ফের ক্ষমতায় এসেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় খোলনলচে বদলে ফেলার পথে হাঁটলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মঙ্গলবারই এসংক্রান্ত সরকারি নির্দেশনামায় সই করেছেন তিনি। জানা গিয়েছে, এবার থেকে ভোট দিতে গেলে নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র দেখাতেই হবে। নির্বাচনের দিনই ডাক মারফত পাঠানো ও অনুপস্থিত ভোটারের ব্যালট গুনে ফেলবেন আধিকারিকরা। পরে আসা ব্যালট আর গ্রহণযোগ্য হবে না। এছাড়া, এবার থেকে মার্কিন নাগরিকের বাইরে অন্য কেউ ভোটে অনুদান দিতে পারবেন না। 

Advertisement

নির্বাচনী সংস্কারের যুক্তি হিসেবে ভারত, ব্রাজিল, জার্মানি, কানাডার মতো একাধিক দেশের উদাহরণ টেনেছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে বেশ কিছু প্রাথমিক ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ জরুরি। আমেরিকায় সেগুলি নেই। কিন্তু, একাধিক উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশে ইতিমধ্যেই শক্তিশালী ভোটিং ব্যবস্থা চালু রয়েছে। ট্রাম্পের কথায়, ‘ভারত, ব্রাজিলের মতো দেশ ভোটারদের চিহ্নিতকরণে বায়োমেট্রিক ব্যবস্থার পথে হাঁটছে। সেখানে আমেরিকায় এখনও যে কেউ নিজেকে নাগরিক বলে দাবি করতে পারে।’ সেক্ষেত্রে পাসপোর্ট, জন্ম শংসাপত্রের মতো সরকারি নথি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে ভোটার তালিকা থেকে ‘জল’ বাদ দিতে তৎপর মার্কিন প্রশাসন। তাই হোমল্যান্ড সিকিওরিটি ও এলন মাস্কের দপ্তর গর্ভমেন্ট এফিসিয়েন্সিকে তালিকা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। সমস্ত প্রদেশ এসংক্রান্ত তথ্য ফেডেরাল এজেন্সিকে দিতে বাধ্য থাকবে। এই নির্দেশ না মানলে অনুদান বন্ধ করে দেবে সরকার। 
তথ্যাভিজ্ঞ মহলের মতে, ট্রাম্প সরকারি নির্দেশনামায় সই করলেও তা কার্যকরী হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কারণ, ভোট সংক্রান্ত সংস্কারের অধিকার শুধু সেনেট ও প্রদেশগুলির হাতে। তাই ট্রাম্পের নির্দেশ আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে চলেছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ