নয়াদিল্লি: একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যদিকে, সুইৎজারল্যান্ডের ফেডেরাল কাউন্সিলের সদস্য কারিন কেলার সুটার। আলোচ্য বিষয়, মার্কিন শুল্কের হার কমানো নিয়ে আলোচনা। দীর্ঘ বৈঠকের পর কর কমানো তো দূর, বরং বাড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প। কিন্তু কেন? চেনা ঢঙে মার্কিন প্রেসিডেন্টের জবাব, সুইস নেত্রীর কথা বলার ধরন তাঁর ভালো লাগেনি। বড্ড ঘ্যান ঘ্যান করছিলেন। তার উপর আগ্রাসীভাবে বক্তব্য রাখছিলেন কারিন। প্রথমে ভুলবশত তাঁকে সুইস প্রধানমন্ত্রী বলেও মনে করেছিলেন ট্রাম্প।
এদিন ফক্স নিউজকে এই বিষয়ে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে তিনি বলেন, আমি মাত্র ৩০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছিলাম। এই নিয়ে একটি ইমার্জেন্সি কল আসে। ভেবেছিলাম, সুইৎজারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ফোন করেছেন। তিনি খুবই ভালো। কিন্তু, অত্যন্ত আগ্রাসীভাবে কথা বলছিলেন। উনি বলেন, ‘স্যার আমরা ছোট দেশ। এতটা শুল্ক সম্ভব হবে না। এরকম করলে কী করে চলবে।’ বারবার একই কথা বলে যাচ্ছিলেন। ঘ্যান ঘ্যান করছিলেন। কিছুতেই তাঁকে চুপ করানো যাচ্ছিল না। সুইস নেত্রীকে ট্রাম্প বলেন, ‘ছোট দেশ হওয়া সত্ত্বেও আপনাদের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।’ তারপরও নাকি কারিন একই কথা বলে যাচ্ছিলেন। ট্রাম্প বলেন, যেভাবে উনি কথা বলছিলেন, আমার ভালো লাগেনি। তাই শুল্ক কমানোর বদলে বাড়তি ৯ শতাংশ চাপিয়েছি। এখন থেকে ওদের ৩৯ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। ট্রাম্পের দাবি, আমেরিকায় রপ্তানি করা
কোনও সামগ্রীতে এক পয়সাও শুল্ক দেয় না ওরা।