ওয়াশিংটন: ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের উপর বিমানহানার সবরকম প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে পেন্টাগন। টার্গেটের তালিকাও প্রস্তুত। ঠিক তখনই পিছুটান। শেষ মুহূর্তে ইয়েমেনে বিমানহানার নির্দেশ বাতিল করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পশ্চিম এশিয়ার প্রধান মিত্র সৌদি আরবের জরুরি ভিত্তিতে সাহায্যের আবেদনেও সাড়া দেননি তিনি। নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এমনই দাবি করা হয়েছে। এরইমধ্যে ট্রাম্প বলেন, হুথিরা আমেরিকার বিরুদ্ধে হামলা না চালাতে সম্মত হয়েছে। আমরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। গত ১২ সেপ্টেম্বর আয়ারল্যান্ড সফরের সময় হুথিরা আমাকে ফোন করেছিল। তার চায়, আমরা যেন তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে না জড়িয়ে পড়ি। উল্লেখ্য, লোহিত সাগরের কাছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ডে হুথিদের নিয়ন্ত্রণ ক্রমেই বাড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় মার্কিন সাহায্য চেয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমান। এরপরই হুথিদের বিরুদ্ধে বিমান হামলার প্রস্তুতি নিতে মার্কিন বাহিনীকে নির্দেশ দেন ট্রাম্প। কিন্তু রবিবার ওই সিদ্ধান্ত বদল করেন ট্রাম্প। এই নিয়ে হোয়াইট হাউস আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। অন্যদিকে, গত শনিবার সিএনএন, এমএস নাও এবং পলিটিকো এই তিন ‘ট্রাম্প-বিরোধী’ সংবাদমাধ্যমকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে হোয়াইট হাউস। এর প্রতিবাদে সোমবার সরব হল আরও চার মার্কিন সংবাদমাধ্যম। যৌথভাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কভারেজ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তারা। তালিকায় রয়েছে ফক্স নিউজ মিডিয়া, এবিসি নিউজ, সিবিএস নিউজ এবং এনবিসি নিউজ।



