নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহারে তোর্সায় দ্বিতীয় সড়ক সেতু নির্মাণে ‘সেতু বন্ধন প্রকল্প’ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করবেন কোচবিহারের সাংসদ তৃণমূল কংগ্রেসের জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও জাতীয় সড়কমন্ত্রী নীতিন গাদকারি তোর্সার উপর সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন। সেই চিঠি পাওয়ার পর এবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে রাজ্যের মাধ্যমে কেন্দ্রকে প্রকল্প পাঠানোর উদ্যোগ নিতে চাইছেন জগদীশচন্দ্র। খুব শীঘ্রই তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন। এরআগে দিল্লিতে গিয়ে গাদকারির সঙ্গে দেখা করেছিলেন।
Advertisement
উল্লেখ্য, তোর্সার উপর দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের দাবি বহুদিনের। কোচবিহার-১ ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষকে ১০-১৫ কিমি ঘুরে ঘুঘুমারি সেতু হয়ে কোচবিহারে আসতে হয়। এই সমস্যা মেটাতেই সেতু নির্মাণের দাবি। কিন্তু তোর্সার মতো নদীর উপরে সেতু করতে হলে বিপুল অর্থের প্রয়োজন। শুধু রাজ্যের পক্ষে যা বহন করা অসম্ভব। সেই কারণেই কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ দরকার। তাই এবার সেতু বন্ধন প্রকল্পের মাধ্যমে দিল্লিতে আবেদনের তোড়জোড় শুরু হয়েছে।
এমপি বলেন, তোর্সায় সেতু নির্মাণের জন্য নীতিন গাদকারিকে চিঠি লিখেছিলাম। দিল্লি গিয়ে দেখাও করে এসেছি। তাঁকে দেওয়া চিঠির উত্তর পেয়েছি। কেন্দ্র বিষয়টি নিয়ে বিবেচনা করছে, সেটা উনি জানিয়েছেন। সেতু বন্ধন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রস্তাব পাঠাতে বলেছেন। রাজ্য প্রস্তাব পাঠালেই কেন্দ্র গ্রহণ করে টাকা বরাদ্দ করে সেতু নির্মাণের যাবতীয় কাজ করবে। তাই আমি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করব। কারণ কেন্দ্রকে প্রস্তাব পাঠাতে হলে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া তা হয় না।
কোচবিহার শহরের ধার ঘেঁষে বয়ে গিয়েছে তোর্সা। উল্টোদিকে আছে শুকটাবাড়ি, মোয়ামারি, ফলিমারি প্রভৃতি গ্রাম পঞ্চায়েত। হাজার হাজার মানুষের বাস। এদিকে, ঘুঘুমারিতে তোর্সার উপর আছে একমাত্র সেতু। ফলে ওসব জায়গার মানুষকে অনেকটা ঘুরে কোচবিহার শহরে আসতে হয়। তোর্সায় সারাবছর সমপরিমাণ জল থাকে না। চর একএকবার একএক দিকে সরে যায়। শীতের সময় তোর্সার উপরে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে চলাচল করতে হয়, আর বর্ষায় চলে নৌকা। কিন্তু বর্ষায় নদী ফুলেফেঁপে উঠলে প্রচণ্ড স্রোতের কারণে তখন নৌকাও বন্ধ থাকে। ফলে সারা বছরই গ্রামীণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হয়। তাই তোর্সায় দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের দাবি উঠেছে দীর্ঘদিন ধরে। সেতু নির্মাণ হলে উপকৃত হবে সাধারণ মানুষ।
এমপি বলেন, তোর্সায় সেতু নির্মাণের জন্য নীতিন গাদকারিকে চিঠি লিখেছিলাম। দিল্লি গিয়ে দেখাও করে এসেছি। তাঁকে দেওয়া চিঠির উত্তর পেয়েছি। কেন্দ্র বিষয়টি নিয়ে বিবেচনা করছে, সেটা উনি জানিয়েছেন। সেতু বন্ধন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রস্তাব পাঠাতে বলেছেন। রাজ্য প্রস্তাব পাঠালেই কেন্দ্র গ্রহণ করে টাকা বরাদ্দ করে সেতু নির্মাণের যাবতীয় কাজ করবে। তাই আমি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করব। কারণ কেন্দ্রকে প্রস্তাব পাঠাতে হলে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া তা হয় না।
কোচবিহার শহরের ধার ঘেঁষে বয়ে গিয়েছে তোর্সা। উল্টোদিকে আছে শুকটাবাড়ি, মোয়ামারি, ফলিমারি প্রভৃতি গ্রাম পঞ্চায়েত। হাজার হাজার মানুষের বাস। এদিকে, ঘুঘুমারিতে তোর্সার উপর আছে একমাত্র সেতু। ফলে ওসব জায়গার মানুষকে অনেকটা ঘুরে কোচবিহার শহরে আসতে হয়। তোর্সায় সারাবছর সমপরিমাণ জল থাকে না। চর একএকবার একএক দিকে সরে যায়। শীতের সময় তোর্সার উপরে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে চলাচল করতে হয়, আর বর্ষায় চলে নৌকা। কিন্তু বর্ষায় নদী ফুলেফেঁপে উঠলে প্রচণ্ড স্রোতের কারণে তখন নৌকাও বন্ধ থাকে। ফলে সারা বছরই গ্রামীণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হয়। তাই তোর্সায় দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের দাবি উঠেছে দীর্ঘদিন ধরে। সেতু নির্মাণ হলে উপকৃত হবে সাধারণ মানুষ।



