সংবাদদাতা, রামপুরহাট: তারাপীঠের বেশকিছু লজে অসামাজিক কাজকর্ম চলার অভিযোগ উঠেছে। যুগলদের অবাধ যাতায়াত ছাড়াও বসছে মদের আসর। এমনকী, নাবালক-নাবালিকাদেরও ঘণ্টা হিসেবে রুম ভাড়া দেওয়া হচ্ছে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ। অথচ গত সপ্তাহেই তারাপীঠে প্রশাসনিক বৈঠকে পরিচয়পত্র ছাড়া রুম ভাড়া না দেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করেছিলেন খোদ জেলাশাসক। তারপরও অবৈধ কারবার থেমে নেই বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বেশকিছু লজে অবাধেই এই কার্যকলাপ চলছে। এরই মধ্যে সরকারি নির্দেশ না মানায় শনিবার রাতেই এক হোটেল মালিককে সাসপেন্ড করছে তারাপীঠ হোটেল অ্যাসোসিয়েশন।
Advertisement
তারাপীঠে পর্যটক সমাগম বাড়ছে। বিশেষ করে সপ্তাহের শনি ও রবিবার পর্যটকদের আনাগোনা বেশি হচ্ছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের রাত্রিবাসের জন্য রয়েছে কয়েকশো হোটেল-লজ। ক্রমশ সেই সংখ্যা আরও বাড়ছে। লজ ব্যবসায়ীদের বড় একটা অংশ বাইরের। অভিযোগ, পর্যটকদের ভিড়ের সুযোগ কাজে লাগিয়ে অবৈধভাবে অর্থ রোজগার করে চলেছে বেশকিছু লজ। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি চক্র এই অসামাজিক কাজকর্ম চালাচ্ছে। বিশেষ করে মুণ্ডমালিনীতলা এলাকার লজগুলি কার্যত ‘রেড জোনে’ পরিণত হয়েছে। ওই এলাকায় রুচিশীল পর্যটকদের থাকার পরিবেশ কার্যত নষ্ট হচ্ছে। মালিকপক্ষের লোকজন নথিপত্র ছাড়াই টাকা নিয়ে যুগলদের থাকতে দিচ্ছে।
ওই এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ জানাচ্ছেন, তারাপীঠে নিত্যদিন অসংখ্য পর্যটক বেড়াতে আসেন। বিশেষ তিথি ও সরকারি ছুটির দিনে প্রচুর পর্যটক সমাগম হয়। সেই ভিড়ের সুযোগে এই অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে। ঘণ্টা হিসেবে যুগলদের রুম ভাড়া দেওয়া হচ্ছে। তারা নাবালক, নাবালিকা কিনা যাচাই করা হচ্ছে না। কোনও পরিচয়পত্র দেখা হচ্ছে না। ওই এলাকায় এলেই দালালরা ঘিরে ধরছে। তারাই টাকার বিনিময়ে রুম পাইয়ে দিচ্ছে। বিনিময়ে হোটেল মালিকদের কাছ থেকে কমিশন নিচ্ছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এভাবেই স্থানীয় ও আশপাশের এলাকার যুগলদের অসামাজিক কাজে সহযোগিতা করছে হোটেলগুলি। অভিযোগ, পুলিস সব জেনেও পদক্ষেপ না নেওয়ায় এই ধরনের কার্যকলাপ বেড়েই চলেছে। এরই মধ্যে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে একটি হোটেলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
তারাপীঠ লজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুনীল গিরি বলেন, এই ধরনের কোনও খবর আমাদের কাছে নেই। যদি কেউ করেও থাকে তাহলে সেটা অ্যাসোসিয়েশনের বিষয় নয়। এটা দেখার দায়িত্ব পুলিস-প্রশাসনের। তবে পরিচয়পত্র ছাড়া রুম ভাড়া দেওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। তিনি আরও বলেন, ওই প্রতিষ্ঠান পুলিস ও প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে চলছিল। পর্যটকদের থাকার রেজিস্টার অ্যাসোসিয়েশনের কাছে জমা দিতে হয়। যা অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে থানায় জমা করা হয়। ওই হোটেল রেজিস্টার জমা দিচ্ছিল না।
এক পুলিস আধিকারিক বলেন, ইতিমধ্যে ওই এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নজরদারিতে সিভিক ভলান্টিয়ার বাড়ানো হয়েছে। সেইসঙ্গে এলাকাবাসীকেও সতর্ক থাকতে হবে। কেউ এই ধরনের কার্যকলাপ সম্পর্কে থানায় জানালে সেক্ষেত্রে তাঁর পরিচয় গোপন রাখা হবে।
ওই এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ জানাচ্ছেন, তারাপীঠে নিত্যদিন অসংখ্য পর্যটক বেড়াতে আসেন। বিশেষ তিথি ও সরকারি ছুটির দিনে প্রচুর পর্যটক সমাগম হয়। সেই ভিড়ের সুযোগে এই অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে। ঘণ্টা হিসেবে যুগলদের রুম ভাড়া দেওয়া হচ্ছে। তারা নাবালক, নাবালিকা কিনা যাচাই করা হচ্ছে না। কোনও পরিচয়পত্র দেখা হচ্ছে না। ওই এলাকায় এলেই দালালরা ঘিরে ধরছে। তারাই টাকার বিনিময়ে রুম পাইয়ে দিচ্ছে। বিনিময়ে হোটেল মালিকদের কাছ থেকে কমিশন নিচ্ছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এভাবেই স্থানীয় ও আশপাশের এলাকার যুগলদের অসামাজিক কাজে সহযোগিতা করছে হোটেলগুলি। অভিযোগ, পুলিস সব জেনেও পদক্ষেপ না নেওয়ায় এই ধরনের কার্যকলাপ বেড়েই চলেছে। এরই মধ্যে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে একটি হোটেলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
তারাপীঠ লজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুনীল গিরি বলেন, এই ধরনের কোনও খবর আমাদের কাছে নেই। যদি কেউ করেও থাকে তাহলে সেটা অ্যাসোসিয়েশনের বিষয় নয়। এটা দেখার দায়িত্ব পুলিস-প্রশাসনের। তবে পরিচয়পত্র ছাড়া রুম ভাড়া দেওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। তিনি আরও বলেন, ওই প্রতিষ্ঠান পুলিস ও প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে চলছিল। পর্যটকদের থাকার রেজিস্টার অ্যাসোসিয়েশনের কাছে জমা দিতে হয়। যা অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে থানায় জমা করা হয়। ওই হোটেল রেজিস্টার জমা দিচ্ছিল না।
এক পুলিস আধিকারিক বলেন, ইতিমধ্যে ওই এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নজরদারিতে সিভিক ভলান্টিয়ার বাড়ানো হয়েছে। সেইসঙ্গে এলাকাবাসীকেও সতর্ক থাকতে হবে। কেউ এই ধরনের কার্যকলাপ সম্পর্কে থানায় জানালে সেক্ষেত্রে তাঁর পরিচয় গোপন রাখা হবে।



