সংবাদদাতা, রামপুরহাট: তারাপীঠে আসা পুণ্যার্থীদের টাকা লুট করার নতুন ফন্দি চিন্তায় ফেলেছে ব্যাঙ্ক কর্তাদের। কিছু দুষ্কৃতী এটিএমের কি প্যাডে আঠা লাগিয়ে রাখছে, টাকা বেরনোর স্লটে আটকে দিচ্ছে লোহার পাত। এটিএমের কি প্যাডে আঠা লাগিয়ে রাখায় গ্রাহক কার্ড পাঞ্চ করে পিন দেওয়া মাত্রই মেশিনের পর্দা কালো হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আদতে মেশিন চালুই থাকছে। মেশিন খারাপ ভেবে গ্রাহক বেরিয়ে যাওয়া মাত্রই ভিতরে ঢুকে আঠা তুলে দেওয়া হচ্ছে। তাতে ফের সক্রিয় হয়ে যাচ্ছে মেশিন এবং যেহেতু পিন দেওয়া ছিল, ফলে অনায়াসেই টাকাও তুলে নিতে পারছে জালিয়াতরা। ব্যাঙ্ক কর্তারা বলছেন, কোনও এটিএম মেশিনে আবার টাকা বেরনোর জায়গায় লোহার পাত ঢুকিয়ে রাখছে। গ্রাহক কার্ড পাঞ্চ করে পিন দিয়েও টাকা বেরিয়ে না আসায় মেশিন খারাপ ভেবে বেরিয়ে যাচ্ছে। পরে গ্যাংয়ের সদস্যরা পাত বের করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। আবার কোথাও শুধুমাত্র ‘জিরো’ নম্বরে বিশেষ আঠা দিয়ে রাখছে। টাকার অঙ্ক যাই হোক না কেন, জিরো ব্যবহার করতেই হবে। কিন্তু জিরো কাজ না করায় পর্যটকরা বেরিয়ে আসছে। তখন জালিয়াতরা টাকা তুলে নিচ্ছে। এক ব্যাঙ্ক কর্তা বলেন, দিনের পর দিন এইরকম চলায় এটিএমগুলি বিকল হয়ে যাচ্ছে। আঠা তুলে ফেলেও জিরো কাজ করছে না। নতুন কি প্যাড না লাগানো পর্যন্ত কাউন্টার বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
Advertisement
তীর্থভূমির একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের স্থানীয় শাখার ম্যানেজার কল্যাণ দাস বলেন, ক্রিমিন্যাল কিছু আছে যারা প্রায়দিনই এসব করছে। যেখানে সিকিউরিটি গার্ড আছে সেখানে কম হচ্ছে। যেখানে গার্ড নেই, সেখানে বেশি। টাকা হাতানোর অভিযোগও জমা পড়েছে। বিষয়টি থানাকেও অনেকবার জানানো হয়েছে।
তিনবছর আগে তারাপীঠ ও রামপুরহাটে একের পর এক এটিএম জালিয়াতি হচ্ছিল। তদন্তে নেমে পুলিস এটিএম জালিয়াতি চক্রের তিন পান্ডা হরিয়ানার বাসিন্দা আসলাম, আজারুদ্দিন ও তাসাবার হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। জেরায় পুলিস জানতে পারে, তারাপীঠের একটি বিলাসবহুল হোটেল ভাড়া নিয়ে থাকছিল তারা। সেখানে বসেই তারাপীঠ, রামপুরহাট ও মুরারই মিলিয়ে ২০-২৫টি এটিএম হ্যাক করে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেয়। ওই গ্রেপ্তারির পর সেভাবে এটিএম জালিয়াতির ঘটনা সামনে আসেনি। কিন্তু বর্তমানে ফের নয়া ফন্দি নিয়ে হাজির এটিএম গ্যাং। লাগাতার এই ধরনের ঘটনা ঘটে চলায় ব্যাঙ্কগুলির পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিস জালিয়াতদের ধরতে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। তাঁদের পরামর্শ, এটিএম জালিয়াতি রুখতে পুলিসের তৎপরতার পাশাপাশি গ্রাহকদেরও সচেতনতা প্রয়োজন। এটিএম কাউন্টারে গিয়ে মেশিন বিকল দেখলে সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়াই ভালো।
তিনবছর আগে তারাপীঠ ও রামপুরহাটে একের পর এক এটিএম জালিয়াতি হচ্ছিল। তদন্তে নেমে পুলিস এটিএম জালিয়াতি চক্রের তিন পান্ডা হরিয়ানার বাসিন্দা আসলাম, আজারুদ্দিন ও তাসাবার হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। জেরায় পুলিস জানতে পারে, তারাপীঠের একটি বিলাসবহুল হোটেল ভাড়া নিয়ে থাকছিল তারা। সেখানে বসেই তারাপীঠ, রামপুরহাট ও মুরারই মিলিয়ে ২০-২৫টি এটিএম হ্যাক করে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেয়। ওই গ্রেপ্তারির পর সেভাবে এটিএম জালিয়াতির ঘটনা সামনে আসেনি। কিন্তু বর্তমানে ফের নয়া ফন্দি নিয়ে হাজির এটিএম গ্যাং। লাগাতার এই ধরনের ঘটনা ঘটে চলায় ব্যাঙ্কগুলির পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিস জালিয়াতদের ধরতে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। তাঁদের পরামর্শ, এটিএম জালিয়াতি রুখতে পুলিসের তৎপরতার পাশাপাশি গ্রাহকদেরও সচেতনতা প্রয়োজন। এটিএম কাউন্টারে গিয়ে মেশিন বিকল দেখলে সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়াই ভালো।



