সংবাদদাতা, রামপুরহাট: মিড ডে মিলের চাল পাচারের অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে তালাবন্দি করে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। ঘটনার জেরে বুধবার বিকেলে তারাপীঠ থানার ব্রাহ্মণডিহি গ্রামে চাঞ্চল্য ছড়ায়। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, পড়ুয়াদের জন্য বরাদ্দ সরকারি চাল পাচার করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন প্রধান শিক্ষক দীপু মিয়াঁ। তাঁর উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে সরব হন বাসিন্দারা। খবর পেয়ে স্কুলে আসে পুলিস। তারপরও বিক্ষোভ চলতে থাকে। প্রধান শিক্ষকের দাবি, স্কুলের কাজের জন্যই তিনি চাল বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পুলিস উত্তেজিত গ্রামবাসীদের হাত থেকে প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। চাল বাজয়াপ্ত করা হয়। পুলিস জানিয়েছে, বিষয়টি বিডিওকে জানানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে মামলা রুজু করা হবে।
Advertisement
প্রধান শিক্ষকের দাবি, স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ৬৭। যদিও গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সরকারি বরাদ্দ বেশি পেতে পড়ুয়ার সংখ্যা বাড়িয়ে রাখা হয়েছে। তারপরও পড়ুয়াদের মিড ডে মিলে নিম্নমানের খাবার দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে এত বরাদ্দ কোথায় যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় তক্কেতক্কে ছিলেন বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন স্কুল ছুটির পর প্রধান শিক্ষক স্কুল থেকে চালের বস্তা বের করে টোটোয় তোলার ব্যবস্থার করছিলেন। গ্রামের লোকজন বিষয়টি দেখে স্কুলটি ঘিরে ফেলেন। বিক্ষোভের মুখে পড়ে প্রধান শিক্ষক টোটো থেকে চালের বস্তা নামিয়ে ফের স্কুলঘরে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু, গ্রামবাসীরা বাধা দেন। তাঁদের দাবি, পুলিস না আসা পর্যন্ত টোটো ও চালের বস্তায় কাউকে হাত দিতে দেওয়া হবে না। গ্রামের বাসিন্দা বামাপদ মণ্ডল বলেন, ৯টি চালের বস্তা(৫০ কেজি করে) টোটোয় নিয়ে যাওয়ার সময় প্রধান শিক্ষককে হাতনাতে ধরে স্কুলের ঘরে তালাবন্দি করে রাখা হয়। শিশুদের ঠিকমতো খেতে না দিয়ে সেই চাল পাচার করা হচ্ছিল।
পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছলে প্রধান শিক্ষকের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বন্দি অবস্থাতেই প্রধান শিক্ষককে ফোন করা হলে তিনি বলেন, স্কুল নির্মাণে জায়গা দান করা ব্যক্তির নাতি নিজের নামেই রেকর্ড করে রেখেছেন। সেই রেকর্ড কাটাতে চার হাজার টাকা লাগবে। বাথরুমও ফেটে গিয়েছে। সেই কাজের জন্যও টাকা লাগবে। তাই চাল বিক্রি করতে নিয়ে যাচ্ছিলাম। তাছাড়া এক বছর ধরে স্কুল মেনটেনেন্স গ্রান্টও দিচ্ছে না সরকার। চাল বিক্রি ছাড়া স্কুলের উন্নতির আর কোনও উপায় ছিল না। যদি গ্রামবাসীদের দাবি, হাতেনাতে ধরা পড়ে স্কুলের উন্নয়নের কথা বলছেন প্রধান শিক্ষক। বাস্তবে চাল চুরির করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল তাঁর।
পুলিস প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তালা খুলে প্রধান শিক্ষককে থানায় নিয়ে আসা হয়। এব্যাপারে রামপুরহাট-২ বিডিও অর্ঘ্য দত্ত বলেন, জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন স্কুল ছুটির পর প্রধান শিক্ষক স্কুল থেকে চালের বস্তা বের করে টোটোয় তোলার ব্যবস্থার করছিলেন। গ্রামের লোকজন বিষয়টি দেখে স্কুলটি ঘিরে ফেলেন। বিক্ষোভের মুখে পড়ে প্রধান শিক্ষক টোটো থেকে চালের বস্তা নামিয়ে ফের স্কুলঘরে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু, গ্রামবাসীরা বাধা দেন। তাঁদের দাবি, পুলিস না আসা পর্যন্ত টোটো ও চালের বস্তায় কাউকে হাত দিতে দেওয়া হবে না। গ্রামের বাসিন্দা বামাপদ মণ্ডল বলেন, ৯টি চালের বস্তা(৫০ কেজি করে) টোটোয় নিয়ে যাওয়ার সময় প্রধান শিক্ষককে হাতনাতে ধরে স্কুলের ঘরে তালাবন্দি করে রাখা হয়। শিশুদের ঠিকমতো খেতে না দিয়ে সেই চাল পাচার করা হচ্ছিল।
পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছলে প্রধান শিক্ষকের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বন্দি অবস্থাতেই প্রধান শিক্ষককে ফোন করা হলে তিনি বলেন, স্কুল নির্মাণে জায়গা দান করা ব্যক্তির নাতি নিজের নামেই রেকর্ড করে রেখেছেন। সেই রেকর্ড কাটাতে চার হাজার টাকা লাগবে। বাথরুমও ফেটে গিয়েছে। সেই কাজের জন্যও টাকা লাগবে। তাই চাল বিক্রি করতে নিয়ে যাচ্ছিলাম। তাছাড়া এক বছর ধরে স্কুল মেনটেনেন্স গ্রান্টও দিচ্ছে না সরকার। চাল বিক্রি ছাড়া স্কুলের উন্নতির আর কোনও উপায় ছিল না। যদি গ্রামবাসীদের দাবি, হাতেনাতে ধরা পড়ে স্কুলের উন্নয়নের কথা বলছেন প্রধান শিক্ষক। বাস্তবে চাল চুরির করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল তাঁর।
পুলিস প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তালা খুলে প্রধান শিক্ষককে থানায় নিয়ে আসা হয়। এব্যাপারে রামপুরহাট-২ বিডিও অর্ঘ্য দত্ত বলেন, জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় দেখা হচ্ছে।



