নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: নাবালিকা গণধর্ষণের ঘটনায় শুক্রবার ধৃত তিন নাবালকের জামিন মঞ্জুর করল জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ড। ঘটনায় নির্যাতিতার পরিবার পুলিসের ভূমিকায় প্রশ্ন তুলেছে। অভিযোগ, ধর্ষণের ঘটনার পরই তারাপীঠ থানায় অভিযোগ জানানো হলেও পুলিস বয়ান বদলে করে দিয়েছিল। ঘটনায় নির্যাতিতার পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানান। যদিও জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের সরকারি আইনজীবীর দাবি, তদন্ত সঠিক পথেই হয়েছে। ঘটনা প্রসঙ্গে জেলার পুলিস সুপার আমনদীপ বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, গত ১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় বছর ১৪-র ওই নাবালিকা স্থানীয় একটি দোকান থেকে চপ কিনতে গিয়েছিল। অভিযোগ, সেই সময় স্থানীয় তিন নাবালক জোর করে তাকে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে। তারপরই নির্যাতিতার পরিবার তারাপীঠ থানার দ্বারস্থ হয়। যদিও নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, পুলিসের তরফে পরবর্তীতে সেই অভিযোগের বয়ান বদলে দেওয়া হয়েছে। সাদা কাগজে নির্যাতিতার মা সহ অন্যান্যদের আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়েছিল। এনিয়ে জেলার পুলিস সুপারের কাছেও অভিযোগ জানানো হয়েছিল বলে নির্যাতিতার পরিবারের তরফে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, পুলিস বয়ান বদল ও সঠিক তদন্ত না করায় ওই তিন নাবালক জামিন পেয়েছে। নির্যাতিতার বাবা বলেন, থানায় করা অভিযোগের বয়ান পুলিস বদলে দিয়েছে। পুলিস সাদা কাগজে আমার স্ত্রী সহ আরও কয়েকজনের আঙুলের ছাপ নিয়েছিল। নির্যাতিতার মা বলেন, আমি সই করতে জানি। তা সত্ত্বেও আমার আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়েছিল। আমরা ন্যায় বিচার চাই। নির্যাতিতার আইনজীবী মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায় বলেন, তারাপীঠ থানার তরফে অভিযোগ বদলে দেওয়া হয়েছিল। আমরা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হব। এবিষয়ে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের সরকারি আইনজীবী অনিন্দ সিংহ বলেন, সঠিক পথেই তদন্ত হয়েছে। পুলিস তিনজন নাবালককে ধরেছিল।



