সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: বাংলায় আলুর দাম আকাশছোঁয়া। কোনওভাবেই আলুর দাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে আলু রপ্তানির উপর রাজ্য সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কিন্তু, চোরা কারবারিরা সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আলু বাইরের রাজ্যে পাচারের চেষ্টা করছে। আবারও তার প্রমাণ মিলল। রবিবার রাতে চোরা পথে ঝাড়খণ্ডে আলু পাচারের সময় সাঁওতালডিহি থানার পুলিস আটটি লরি আটক করে। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনায় মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে দু’জনের বাড়ি বিহারে। চারজনের বাড়ি মেদিনীপুর, দু’জনের বাড়ি বর্ধমান জেলায়। এছাড়া পুরুলিয়ার কাশীপুর ব্লকের দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আটটি লরি থেকে মোট ২০০ টন আলু বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই আলু কোথা থেকে আসছিল তা জানা যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওইদিন রাত ১ টা নাগাদ পুলিসের কাছে খবর আসে রঘুনাথপুরের দিক থেকে কয়েকটি আলু বোঝাই লরি আসছে। রঘুনাথপুর-চন্দনকিয়ারি রাজ্য সড়ক ধরে ওই আলু ঝাড়খণ্ড রাজ্যে যাচ্ছে। পুলিসের চোখকে ধুলো দিতে প্রতিটি লরি ত্রিপল দিয়ে ঢাকা দেওয়া ছিল। খবর পেয়ে সাঁওতালডিহি থানার পুলিস পাহাড়ীগোড়ার মোড়ে নাকা চেকিং শুরু করে। চেকিং চলাকালীন আলু বোঝাই লরিগুলি আসে। পুলিসের তরফে লরিতে কী রয়েছে জানতে চাওয়া হয়। এক লরি চালক জানায়, লরিতে আলু রয়েছে। আলু ঝাড়খণ্ড রাজ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পুলিসের তখন লরি চালকদের কাছে আলু নিয়ে যাওয়ার বৈধ কাগজ দেখতে চায়। কিন্তু, লরি চালকরা বৈধ কোনও কাগজ দেখাতে পারেনি। এরপরই লরিগুলিকে আটক করা হয়।
এক পুলিস আধিকারিক বলেন, আলু পাচারে যুক্ত ব্যবসায়ীরা পুলিসের চোখকে ধুলো দিতে গাড়িগুলি মোটা ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দিয়েছিল। পাশাপাশি গাড়িগুলি এমন সময় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, যে সময় ঘন কুয়াশা এবং রাস্তা ফাঁকা থাকে।
জানা গিয়েছে, রাজ্যে আলুর মূল্যবৃদ্ধি মধ্যবিত্তের হেঁশেলে দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে। রাজ্যের তরফে টাস্ক ফোর্সের টিম বারেবারে বাজারগুলিতে হানাও দিচ্ছে। তারপরেও আলুর দাম তেমন কমছে না। তাই রাজ্যের আলু রপ্তানি না করার নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নির্দেশ মেনে চলা হচ্ছে। তার মাঝে আলু বোঝাই আটটি গাড়ি আটক হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।
উল্লেখ্য, এর আগেও পুরুলিয়ার একাধিক থানা এলাকা থেকে আলুবোঝাই লরি আটক করা হয়। মূলত ঝাড়খণ্ডে পাচারের সময়েই লরিগুলি ধরা পড়ে। এবারও ফের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হল। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি গাড়িতে ৫০০টির বেশি আলুর ব্যাগ রয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা চলছে আলুগুলি কোথা থেকে আনা হচ্ছিল। ধৃতদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
এক পুলিস আধিকারিক বলেন, আলু পাচারে যুক্ত ব্যবসায়ীরা পুলিসের চোখকে ধুলো দিতে গাড়িগুলি মোটা ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দিয়েছিল। পাশাপাশি গাড়িগুলি এমন সময় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, যে সময় ঘন কুয়াশা এবং রাস্তা ফাঁকা থাকে।
জানা গিয়েছে, রাজ্যে আলুর মূল্যবৃদ্ধি মধ্যবিত্তের হেঁশেলে দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে। রাজ্যের তরফে টাস্ক ফোর্সের টিম বারেবারে বাজারগুলিতে হানাও দিচ্ছে। তারপরেও আলুর দাম তেমন কমছে না। তাই রাজ্যের আলু রপ্তানি না করার নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নির্দেশ মেনে চলা হচ্ছে। তার মাঝে আলু বোঝাই আটটি গাড়ি আটক হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।
উল্লেখ্য, এর আগেও পুরুলিয়ার একাধিক থানা এলাকা থেকে আলুবোঝাই লরি আটক করা হয়। মূলত ঝাড়খণ্ডে পাচারের সময়েই লরিগুলি ধরা পড়ে। এবারও ফের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হল। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি গাড়িতে ৫০০টির বেশি আলুর ব্যাগ রয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা চলছে আলুগুলি কোথা থেকে আনা হচ্ছিল। ধৃতদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।



