Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ট্রেনের কামরায় হঠাৎ দেখে যুবতীর প্রেমে হাবুডুবু রোমিও

ট্রেনের কামরায় হঠাৎ দেখে যুবতীর প্রেমে হাবুডুবু রোমিও
  • ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: ট্রেনের কামরায় হঠাৎই লাস্যময়ীর সঙ্গে দেখা হয়েছিল যুবকের। তবে ‘লালরঙের শাড়িতে ডালিম ফুলের মতো রাঙা’ অবস্থায় তাঁকে আগে কোনওদিন দেখেননি। তবে তাঁর চেহারা দোলনচাপার মতোই। তাই তেভাগা এক্সপ্রেসে অচেনা যুবতীকে প্রথম দেখাতেই তাঁর প্রেমে হাবুডুবু খেতে থাকেন। কিন্তু একটি স্টেশনে নেমে যাওয়ার পর তাঁকে আর দেখা যায়নি। তাঁর খোঁজে সে হন্যে হয়ে খুঁজে চলেছেন। কখনও রামপুরহাট আবার কখনও বর্ধমান স্টেশনে ঘুরছেন। মন কেড়ে নেওয়া সেই যুবতীর সন্ধান পেতে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেছেন। কিন্তু কোথায় কি! খোঁজ তো পাওয়া যাচ্ছে না। উল্টে ট্রোলের শিকার হতে হয়েছে। কেউ লিখছে, ন্যাকামি। কেউবা আদিখ্যেতা বলে টিপ্পনি কাটছে। কিন্তু তাতে হাল ছাড়তে নারাজ ওই যুবক। সোশ্যাল মিডিয়ায় সে লিখেছে, ১৭সেপ্টেম্বর তেভাগা এক্সপ্রেসে এক মেয়ের সঙ্গে দেখা হয়। তার সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানি না। তার বাড়ি হয় কলকাতায়, নতুবা বীরভূম জেলায়। ও সেদিন রামপুরহাট স্টেশনে নেমেছিল। সেখানে নেমে কিছুক্ষণ অপেক্ষাও করেছিল। বিশেষ কারণবশত তার সঙ্গে কথা বলতে পারিনি। খোঁজার বহু চেষ্টা করছি।
Advertisement
সোশ্যাল মিডিয়ায় সে সার্চ করেই চলছে। যদি কোনওভাবেই ‘অমূল্যরতন’ মিলে যায়। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ওই যুবকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে বিশেষ কিছু বলতে চাননি। ওই যুবতীর খোঁজে বিভিন্ন স্টেশনে খুঁজে বেড়াচ্ছেন। সোশ্যাল মিডিয়ার ওয়ালে তাঁকে যেমন টিপ্পনি সহ্য করতে হচ্ছে তেমনই কেউ কেউ উৎসাহও দিচ্ছেন। এক নেটিজেন সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, চেষ্টা করলেই পাওয়া যাবে। ভালবাসা কখনোই অসহায় হতে পারে না। একদিন না একদিন সে সামনে আসবেই। দু’জনের মিল হয়ে যাবে। বর্ধমানের বাসিন্দা প্রকাশ দাস বলেন, প্রেমে পড়ে যে কেউ যা কিছু করতে পারে। কখন কার কাকে ভালোলাগে তা কেউই বলতে পারে না। ভালো লাগলেও অনেক সময় মনের কথা বলা যায় না। ওই যুবকের ক্ষেত্রেও হয়তো তেমনটাই হয়েছিল। এতে মজা করার কিছু নেই। তাঁকে কাউন্সেলিং করা দরকার। তা না হলে হয়তো বিগড়ে যেতে পারে। মানসিক অবস্থা ভালো নেই। তা সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট দেখে বোঝা যাচ্ছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় তথ্য অনুযায়ী ওই যুবকের বাড়ি বর্ধমানে। কবিগুরুর কবিতায় উঠে আসা সেই প্রেয়সী কালো রঙের একটা গভীর দূরত্ব নিজের চারদিকে ঘনিয়ে নিয়েছিল। প্রেমিক রেলগাড়ির কামরায় চেনা লোককে অচেনা গাম্ভীর্যে দেখেছিল। আর তেভাগা এক্সপ্রেসের ‘রোমিও’ প্রেয়সীর চোখে-মুখে দেখেছিল নিজের হারিয়ে যাওয়ার ছবি। সেকারণেই এখন হন্যে হয়ে খুঁজে চলছেন।
সম্পর্কিত সংবাদ