নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ : মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাড়িতেই দেহ উদ্ধার হল তরুণের। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের কালিয়াচক থানার শ্রীরামপুরে। মৃত সামিউল ইসলামের দেহের (১৮) পাশ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি সেমি অটোমেটিক সেভেন এমএম পিস্তল।
Advertisement
পুলিসের দাবি, পিস্তলটি বেআইনি। কীভাবে সেটি তরুণের কাছে এল সেটাই এখন খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সে কোনও অপরাধমূলক কাজ করার পরিকল্পনা করছিল কি না জানার চেষ্টা করছেন তাঁরা।
মৃতের মা রুমালি বিবি জানান, সামিউলের সঙ্গে কারও ঝামেলা হয়নি। রাতে বন্ধুদের সঙ্গে বাড়িতেই হৈ হুল্লোড় করেছিল। সকালে উঠে কারও সঙ্গে বিশেষ কথা বলেনি। বাইক নিয়ে বাইরে বেরিয়ে যায়।
রুমালির কথায়, পরীক্ষার জন্য মেয়েকে স্কুলে ছাড়তে যাওয়ার সময় রাস্তায় সামিউলের সঙ্গে দেখা হয়। সে তখন বাড়ির দিকে ফিরছিল। কিন্তু আমাদের কোনও কথা হয়নি। স্কুলে যাওয়ার পরই ফোন করে আমাকে তাড়াতাড়ি বাড়িতে ফিরে আসতে বলেন পরিবারের সদস্যরা। গিয়ে দেখি ছেলে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
পুলিস সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার দুপুরে মাথায় গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই সামিউলের মৃত্যু হয়েছে। কালিয়াচক থানার পুলিস দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিক্যালে পাঠায়।
তরুণ কোনও অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিল কি না খোঁজখবর করতে গিয়ে প্রাথমিকভাবে পুলিস জানতে পেরেছে তার নামে কোনও ক্রিমিনাল রেকর্ড নেই। তাহলে বেআইনি সেভেন এমএম পিস্তল কোথা থেকে আনা হয়েছে, আপাতত সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।
মৃতের মা রুমালি বিবি জানান, সামিউলের সঙ্গে কারও ঝামেলা হয়নি। রাতে বন্ধুদের সঙ্গে বাড়িতেই হৈ হুল্লোড় করেছিল। সকালে উঠে কারও সঙ্গে বিশেষ কথা বলেনি। বাইক নিয়ে বাইরে বেরিয়ে যায়।
রুমালির কথায়, পরীক্ষার জন্য মেয়েকে স্কুলে ছাড়তে যাওয়ার সময় রাস্তায় সামিউলের সঙ্গে দেখা হয়। সে তখন বাড়ির দিকে ফিরছিল। কিন্তু আমাদের কোনও কথা হয়নি। স্কুলে যাওয়ার পরই ফোন করে আমাকে তাড়াতাড়ি বাড়িতে ফিরে আসতে বলেন পরিবারের সদস্যরা। গিয়ে দেখি ছেলে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
পুলিস সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার দুপুরে মাথায় গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই সামিউলের মৃত্যু হয়েছে। কালিয়াচক থানার পুলিস দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিক্যালে পাঠায়।
তরুণ কোনও অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিল কি না খোঁজখবর করতে গিয়ে প্রাথমিকভাবে পুলিস জানতে পেরেছে তার নামে কোনও ক্রিমিনাল রেকর্ড নেই। তাহলে বেআইনি সেভেন এমএম পিস্তল কোথা থেকে আনা হয়েছে, আপাতত সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।



