লন্ডন: শান্তি চুক্তি নিয়ে ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনা করবে ব্রিটেন ও ফ্রান্স। তারপর সেই খসড়া পেশ করা হবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। রবিবার একথা ঘোষণা করেছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার। তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে সবথেকে এগিয়ে রয়েছে ব্রিটেন ও ফ্রান্স। আমি আর প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রঁ এবিষয় আলোচনা করছি। তারপর আমেরিকার সঙ্গে কথা বলব।’ হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে বাদানুবাদের পরেই ডাউনিং স্ট্রিটে চলে আসেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদামির জেলেনস্কি। শনিবার সেখানেই বৈঠক করেন দুই রাষ্ট্রনেতা। বৈঠকের মাঝেই রুশ যুদ্ধে ইউক্রেনকে ২২৬ কোটি পাউন্ড ঋণ দিল ব্রিটেন। জেলেনস্কি জানিয়েছেন, এই টাকা অস্ত্র নির্মাণের জন্য ব্যবহার করবে কিয়েভ। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, ওভাল অফিসের ঘটনার পর স্টারমারের এই অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এদিকে ট্রাম্প-জেলেনস্কি সংঘাতের পর মার্কিন বাহিনীকে জ্বালানি সরবরাহ না করার সিদ্ধান্ত নিল নরওয়ের একটি তেল ও জাহাজ কোম্পানি। ফেসবুকে বিবৃতি দিয়ে একথা জানিয়েছে হাল্টবাক বাঙ্কার্স।
Advertisement
জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের পরেই ট্রাম্প ও ম্যাক্রঁর সঙ্গে কথা বলেন স্টারমার। যুদ্ধবিরতির জন্য আমেরিকাকে ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। শুরু থেকেই এই দাবি জানিয়ে আসছেন জেলেনস্কি। এদিন একই কথা শোনা গেল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। তিনি জানান, ইউরোপের শান্তিরক্ষা বাহিনীকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি দিক আমেরিকা। তাহলেই ইউক্রেনের শান্তি চুক্তি সম্পন্ন হবে।



