নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক ও সংবাদদাতা, কাঁথি: মন্দারমণির হোটেল আমডাঙার তৃণমূল নেতার রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় ত্রিকোণ প্রেমের জটিল রসায়ন সামনে আসছে। নিহত তৃণমূল নেতা আবুল নাসারের সঙ্গে ধৃত তনুশ্রী মুখোপাধ্যায়ের ছ’বছরের সম্পর্ক। দু’জনে মাঝেমধ্যে একান্তে সময় কাটাতে বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যেতেন। আবুল বিবাহিত হলেও তনুশ্রী অবিবাহিতা। সম্প্রতি তনুশ্রী অন্য একজনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিল। তাকে বিয়ে করার পরিকল্পনাও ছিল। যদিও সেই সম্পর্কের মাঝে দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিল আবুল। শুক্রবার রাতে মন্দারমণির রিসর্টে রুমের ভিতর এই সম্পর্ক নিয়ে দু’জনের বচসা হয়। তারপর সিলিং ফ্যানে গামছার ফাঁসে নাসারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়।
Advertisement
পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিস সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য বলেন, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে, এটি আত্মহত্যার ঘটনা। দেহ নামানোর ভিডিও রয়েছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। সেটা সম্পূর্ণ হলে সবটাই সামনে আসবে।
তৃণমূল নেতার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় ধৃত তাঁর সঙ্গিনী তনুশ্রী মুখোপাধ্যায় ও আবুলের খুড়তুতো ভাই আতাউর মণ্ডলকে বুধবার কাঁথি এসিজেএম আদালতে তোলা হয়। বিচারক দু’জনকে পাঁচদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিহত তৃণমূল নেতার ময়নাতদন্ত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আমডাঙার বিধায়ক রফিকুর রহমান। তিনি বলেন, শুক্রবার বিকেল ৪টেয় একটি উন্নয়ন সংক্রান্ত মিটিং ছিল। সেই মিটিংয়ে আমি আবুল নাসারের সঙ্গে কথা বলেছি। সেদিন আবুল নাসার যেভাবে আমার সঙ্গে কথা বলেছিলেন কখনও মনে হয়নি, তিনি সুইসাইড করতে পারেন। ওইদিনই তিনি মন্দারমণি গিয়েছিলেন বলে জানতে পারি। আত্মহত্যা বলে আমি মানতে পারছি না। আমার অনুরোধ, সঠিক তদন্ত হোক। দোষীর বিচার হোক।
উল্লেখ্য, শনিবার সন্ধ্যায় নিহত আবুল নাসারের মা তাইরুন বিবি ছেলেকে খুন করা হয়েছে বলে মন্দারমণি কোস্টাল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে পুলিস দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করবে পুলিস। এই ঘটনার রহস্য ভেদ করতে দু’জনকে জেরা করতে চাইছে পুলিস। তাছাড়া এই ঘটনায় আতাউরের ভূমিকা কতখানি সেটাও পুলিসকে ভাবাচ্ছে। কারণ, আবুলকে মন্দারমণি বেড়াতে নিয়ে আসার প্রস্তাব দিয়েছিল আতাউর। নিহত তৃণমূল নেতার স্ত্রী সুমাইয়া পারভিন আমডাঙার আদহাটা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান। স্ত্রীর হয়ে বিভিন্ন সরকারি মিটিংয়ে নাসারই যেতেন। তাঁর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। শুক্রবার বাড়ি থেকে বেরনোর সময় বাড়ির লোকজনকে ব্যবসার কাজে বাইরে যাওয়ার কথা বলেছিলেন আবুল নাসার। এক ব্যবসায়ীর থেকে পাওনা টাকা আনতে যাওয়ার কথা বলে সোজা মন্দারমণি পৌঁছে যান। সেখানকার হোটেল থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মন্দারমণির ওই বিলাসবহুল হোটেলে নাসার, সঙ্গিনী তনুশ্রী, আতাউর ও আর এক যুবতী এসেছিল। যদিও ওই যুবতী অসুস্থ হয়ে পড়ায় শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ির পথে রওনা দিয়েছিলেন। রহস্য উদ্ঘাটন করতে মরিয়া পুলিস।
তৃণমূল নেতার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় ধৃত তাঁর সঙ্গিনী তনুশ্রী মুখোপাধ্যায় ও আবুলের খুড়তুতো ভাই আতাউর মণ্ডলকে বুধবার কাঁথি এসিজেএম আদালতে তোলা হয়। বিচারক দু’জনকে পাঁচদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিহত তৃণমূল নেতার ময়নাতদন্ত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আমডাঙার বিধায়ক রফিকুর রহমান। তিনি বলেন, শুক্রবার বিকেল ৪টেয় একটি উন্নয়ন সংক্রান্ত মিটিং ছিল। সেই মিটিংয়ে আমি আবুল নাসারের সঙ্গে কথা বলেছি। সেদিন আবুল নাসার যেভাবে আমার সঙ্গে কথা বলেছিলেন কখনও মনে হয়নি, তিনি সুইসাইড করতে পারেন। ওইদিনই তিনি মন্দারমণি গিয়েছিলেন বলে জানতে পারি। আত্মহত্যা বলে আমি মানতে পারছি না। আমার অনুরোধ, সঠিক তদন্ত হোক। দোষীর বিচার হোক।
উল্লেখ্য, শনিবার সন্ধ্যায় নিহত আবুল নাসারের মা তাইরুন বিবি ছেলেকে খুন করা হয়েছে বলে মন্দারমণি কোস্টাল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে পুলিস দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করবে পুলিস। এই ঘটনার রহস্য ভেদ করতে দু’জনকে জেরা করতে চাইছে পুলিস। তাছাড়া এই ঘটনায় আতাউরের ভূমিকা কতখানি সেটাও পুলিসকে ভাবাচ্ছে। কারণ, আবুলকে মন্দারমণি বেড়াতে নিয়ে আসার প্রস্তাব দিয়েছিল আতাউর। নিহত তৃণমূল নেতার স্ত্রী সুমাইয়া পারভিন আমডাঙার আদহাটা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান। স্ত্রীর হয়ে বিভিন্ন সরকারি মিটিংয়ে নাসারই যেতেন। তাঁর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। শুক্রবার বাড়ি থেকে বেরনোর সময় বাড়ির লোকজনকে ব্যবসার কাজে বাইরে যাওয়ার কথা বলেছিলেন আবুল নাসার। এক ব্যবসায়ীর থেকে পাওনা টাকা আনতে যাওয়ার কথা বলে সোজা মন্দারমণি পৌঁছে যান। সেখানকার হোটেল থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মন্দারমণির ওই বিলাসবহুল হোটেলে নাসার, সঙ্গিনী তনুশ্রী, আতাউর ও আর এক যুবতী এসেছিল। যদিও ওই যুবতী অসুস্থ হয়ে পড়ায় শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ির পথে রওনা দিয়েছিলেন। রহস্য উদ্ঘাটন করতে মরিয়া পুলিস।



