নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইন—ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। আউট—শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়! বিজেপি সরকারের ‘সিদ্ধান্তে’ বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই বাজেট অধিবেশনের আগে বিধানসভায় স্পিকার রথীন্দ্র বসুর ডাকা সর্বদল বৈঠকে আমন্ত্রণই জানানো হল না মমতাপন্থী তৃণমূল বিধায়কদের। কিন্তু আমন্ত্রণ পেয়ে বৈঠকের পুরো সময় উপস্থিত থাকলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী ব্লকের নেতারা।আগামী ১৮ জুন, বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে অধিবেশন। রাজ্যপালের ভাষণের মধ্যে দিয়ে অধিবেশন শুরু হবে। আগামী ২২ জুন বাজেট পেশ করবে সরকার। স্বাভাবিকভাবেই এবারের বিধানসভার অধিবেশন গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। এই অধিবেশন শুরুর আগে মঙ্গলবার সর্বদল বৈঠক ডেকেছিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসু। সব দলের প্রতিনিধিদেরই বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। সেই সূত্রেই উপস্থিত হন ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’-এর সদস্যরা। বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহা, জাভেদ খান, আখরুজ্জামান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। সেইসঙ্গে দেখা যায় ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকি, আমজনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ূন কবীর, সিপিএম বিধায়ক মুস্তাফিজুর রহমান এবং কংগ্রেস বিধায়ক মোতাব শেখকেও। কিন্তু কোথাও দেখা যায়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামী তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বা কুণাল ঘোষদের। বিধানসভার তরফে তাঁদের আমন্ত্রণই জানানো হয়নি বলে অভিযোগ। মমতাপন্থী কুণালের দাবি, ‘রীতি বহির্ভূত কাজ করেছেন বিধানসভার স্পিকার। বৈঠকের খবর আমাদের দেওয়া হয়নি। নিজের পছন্দের লোককে বিরোধী দলনেতার পদে বসিয়েছেন স্পিকার। যাতে ওঁর কাজ চালাতে সুবিধা হয়।’ যদিও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পালটা যুক্তি, ‘গত ৩ জুন বিধানসভার সচিবালয়ের পক্ষ থেকে আমাদের চিঠি দিয়ে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। সেই সূত্রেই আমরা সর্বদল বৈঠকে ডাক পেয়েছি। আমরাই তো তৃণমূলের পরিষদীয় দল। আমাদের সঙ্গে ৬৫ জন বিধায়ক আছেন। বিধানসভার অধিবেশন কক্ষে পরীক্ষা হয়ে যাক, তাহলে কুণালবাবুরা জবাব পেয়ে যাবেন। আর ২০ জন সাংসদ দল ছেড়েছেন। এরপর তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সদস্য সিঙ্গল ডিজেটে নেমে আসবে।’



