নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সোমবার আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল। মঙ্গলবার সেই খবর ‘বর্তমান’‑এ প্রকাশিত হতেই শ্লীলতাহানির মামলায় গরহাজির থাকা অভিযুক্ত সেনাকর্মী কুলবিন্দর সিং তড়িঘড়ি আদালতে আত্মসমর্পণ করে। বিচারভবনের পকসো আদালতের বিচারক পাপিয়া দাস তাকে দোষী সাব্যস্ত করে চার বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ শোনান। পাশাপাশি তাকে দশ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের হাজতবাসের নির্দেশ দেন। বিচারক সমগ্র বিষয়টি পর্যালোচনা করে অভিযোগকারিণী কিশোরীকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য কলকাতা লিগ্যাল এইডকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন। মামলার বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি সৈকত পান্ডে বলেন, ‘আইনের বিধান অনুসারে অপরাধীকে তিন বছরের সাজা দিলে সে জামিন পেয়ে যাবে। তাই তাকে যেন তিন বছরের ঊর্ধ্বে সাজা দেওয়া হয়। তাহলে তাকে জেলে যেতে হবে। কারণ একজন সেনাকর্মী হয়ে ওই ব্যক্তি যে কাজ করেছে, তা ক্ষমার অযোগ্য। তাই তার কিছুটা সাজা হওয়া দরকার।’ উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারক অপরাধী সেনাকর্মী কুলবিন্দর সিংকে দোষী সাব্যস্ত করেন। ২০২৪ সালে কলকাতার দক্ষিণ বন্দর থানার গোয়ালিয়র ঘাটে এক কিশোরীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় ওই সেনাকর্মীর বিরুদ্ধে পকসো মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় রায়দানকে ঘিরে গরহাজির থাকায় ওই সেনা কর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। এরপরই এদিন কুলবিন্দর কোর্টে আত্মসমর্পণ করে।



