নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত একাধিক জায়গায় ঠান্ডাপানীয় জলের জলসত্র উদ্বোধন করলেন সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন পাণ্ডুয়া ও চুঁচুড়ায় ওই কর্মসূচিকে সামনে রেখে একাধিক অনুষ্ঠান করা হয়। তবে চুঁচুড়ার অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিধায়ক ও পুর চেয়ারম্যানের মধ্যে বিবাদ ফের সামনে এসেছে। এদিন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমে পাণ্ডুয়ার একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। তারপরে তিনি চুঁচুড়ায় এসেছিলেন। সাংসদ দাবি করেছেন, পাক অধিকৃত কাশ্মীর, ভারতের ফিরিয়ে নেওয়া উচিত।
জলসত্র উদ্বোধন করতে এদিন চুঁচুড়ার চকবাজারে এসেছিলেন রচনা। সেখানেই সংবাদমাধ্যম তাঁকে জলসত্রের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন করে। সাংসদকে থামিয়ে তাঁর সঙ্গে থাকা চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেন, অতীতে আমাদের সাংসদ রত্না দে নাগ একগুচ্ছ জলসত্র করেছিলেন। কিন্তু পুরসভার তত্ত্বাবধান না থাকার কারণে তার অনেকগুলি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। ওই ব্যাপারে নাগরিকদেরও উদ্যোগ নিতে হবে। সরকারের প্রকল্প রক্ষার দায়িত্ব সকলে মিলে পালন করলেই প্রকল্পগুলি দীর্ঘসময় ধরে পরিষেবা দিতে পারবে। এনিয়ে চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান অমিত রায় বলেন, সাংসদ রত্নাদেবীর যে সমস্ত প্রকল্প পুরসভার তত্ত্বাবধানে আছে, তার সবগুলিই সুষ্ঠুভাবে পরিষেবা দিচ্ছে। বিধায়ক সমস্ত তথ্য রাখেন না, তাই তাঁর জানা নেই। প্রসঙ্গত, চুঁচুড়ার বিধায়ক ও পুর চেয়ারম্যানের মধ্যে বহুদিন ধরেই বিবাদ চলছে। সাংসদের প্রকল্প উদ্বোধনকে ঘিরে তা আবারও উস্কে গিয়েছে। এদিকে, পাণ্ডুয়ার অনুষ্ঠানগুলিতে এদিন প্রচুর মানুষের জমায়েত হয়েছিল। তৃণমূল কংগ্রেসের পাণ্ডুয়া ব্লক সভাপতি আনিসুল ইসলাম বলেন, আমাদের ব্লকে তিনটি জলসত্র হয়েছে। ওইগুলি নিয়ে স্থানীয় মানুষের ব্যাপক আগ্রহ ছিল। এদিন তাই অনেক মানুষ রোদ, গরম উপেক্ষা করে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। -নিজস্ব চিত্র