Bartaman Logo
৮ জুন, ২০২৬

স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সমর্থন তৃণমূলের, হুইপ জারি বিজেপি ও কংগ্রেসের

স্পিকার ওম বিড়লাকে অপসারণের পক্ষেই সায় তৃণমূলের। লোকসভায় তাঁর তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সমর্থন জানাবেন ঘাসফুল সাংসদরা। দলীয় সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে।

স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সমর্থন তৃণমূলের, হুইপ জারি বিজেপি ও কংগ্রেসের
  • ৮ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: স্পিকার ওম বিড়লাকে অপসারণের পক্ষেই সায় তৃণমূলের। লোকসভায় তাঁর তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সমর্থন জানাবেন ঘাসফুল সাংসদরা। দলীয় সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে।  সোমবার বাজেট অধিবেশন দ্বিতীয় পর্ব শুরু হচ্ছে। সেখানেই বিরোধীদের আনা আনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটি হতে পারে।  ওই দিন দলের সব সাংসদ লোকসভায় থাকতে বলা হয়েছে বলে তৃণমূল সূত্রে খবর। 

Advertisement

বিরোধী শিবিরের পক্ষে ইতিমধ্যেই স্পিকারকে পদ থেকে সরানোর জন্য অনাস্থা প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। অভিযোগ, স্পিকার সংসদ পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রকাশ্যেই পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। মোট ১১৮ জন বিরোধী সাংসদ আগেই এই প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়েছেন। তবে তৃণমূলের সাংসদরা এতে সই করেননি। তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতার দাবি, ‘দল শুরু থেকেই এই অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ছিল। শুধু তাড়াহুড়ো করতে চাইনি আমরা।’  এই ইস্যুতে তৃণমূল নেতৃত্ব অন্যান্য বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে বলে জানিয়েছেন তিনি। 
সংসদের কার্যসূচি অনুযায়ী ৯ মার্চ সোমবার, বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাব আলোচনার জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে। সেটিই সেদিনের প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রস্তাবটি গ্রহণ করতে হলে অন্তত ৫০ জন সাংসদকে সমর্থন জানাতে হবে। এরপর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও ভোটাভুটি হবে। 
লোকসভায় বিজেপি সাংসদরাই সংখ্যায় বেশি। তাই রাজনৈতিক মহলের ধারণা, প্রস্তাবটি শেষ পর্যন্ত পাস হওয়ার সম্ভাবনা কম। এদিকে ওইদিন নিজেদের সাংসদদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে শাসক দল বিজেপি এবং প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস উভয়ই হুইপ জারি করেছে। সংবিধান অনুযায়ী, এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলাকালীন স্পিকার সভায় উপস্থিত থাকতে পারেন। নিজের পক্ষে বক্তব্যও রাখতে পারেন। এমনকী ভোটও দিতে পারেন। তবে সেই সময় তিনি সভা পরিচালনা করতে পারবেন না। বিরোধীদের অভিযোগ, স্পিকার বিরোধী দলের নেতা ও অন্যান্য সাংসদদের বক্তব্য রাখার সুযোগ দেননি। এছাড়া বিরোধী মহিলা সাংসদদের বিরুদ্ধে অযথা অভিযোগ তুলেছেন। এছাড়া জনস্বার্থের বিভিন্ন ইস্যু তুলে ধরার কারণে বিরোধী সাংসদদের সাসপেন্ড করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। 

সম্পর্কিত সংবাদ