Bartaman Logo
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ঘুষ দেয়নি পরিবার, কিশোরীর পা জুড়েও ভেঙে দিলেন চিকিৎসক! অমানবিক ঘটনা উত্তরপ্রদেশের সরকারি হাসপাতালে

সরকারি হাসপাতাল। বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে পরিষেবা পাওয়াই নিয়ম। কিন্তু ঘুষ চেয়েছিলেন ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ চিকিৎসক। তা দিতে না পারায় কিশোরীর পা জুড়েও ভেঙে দিলেন তিনি।

ঘুষ দেয়নি পরিবার, কিশোরীর পা জুড়েও ভেঙে দিলেন চিকিৎসক! অমানবিক ঘটনা উত্তরপ্রদেশের সরকারি হাসপাতালে
  • ৭ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

লখনউ: সরকারি হাসপাতাল। বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে পরিষেবা পাওয়াই নিয়ম। কিন্তু ঘুষ চেয়েছিলেন ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ চিকিৎসক। তা দিতে না পারায় কিশোরীর পা জুড়েও ভেঙে দিলেন তিনি। এমনই অমানবিক কাজের অভিযোগ উঠেছে উত্তরপ্রদেশের মুজফ্ফরপুরে। 

Advertisement

জানা গিয়েছে, ১৪ বছরের ওই কিশোরী মানসিকভাবে অসুস্থ। একটি দুর্ঘটনায় তার পা ভেঙে যায়। চিকিৎসার জন্য জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয় তার মা। বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের নির্দেশও দেন শীর্ষ আধিকারিকরা। সেই মতো কিশোরীকে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান তার মা। অভিযোগ, সেখানে চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত ডাক্তার ২৫ হাজার টাকা ঘুষ চান। কিন্তু বহু কষ্ট করেও ৮ হাজার টাকার বেশি জোগাড় করতে পারেননি কিশোরীর বিধমা মা। বাকি টাকা সংগ্রহ করতে বলে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ভাঙা পা জুড়ে দেন চিকিৎসক। তারপর বাকি টাকা দাবি করেন তিনি। কিন্তু মেয়েটির মা জানান, তাঁর পক্ষে আর টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয়। অভিযোগ, তা শুনে বেজায় চটে যান ওই চিকিৎসক। স্বাস্থ্য পরীক্ষার কথা জানিয়ে ফের রোগীকে নিয়ে আসতে বলেন তিনি। অভিযোগ, সেখানে আসতেই মেয়েটির হাঁটু মুড়ে জুড়ে দেওয়া পা ফের ভেঙে দেন চিকিৎসক। ভাঙার শব্দও শোনা যায়। যন্ত্রণায় আর্তনাদ করতে থাকে কিশোরী। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি বলে পরিবারের দাবি।  বিষয়টি জানার পরই বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন চিফ মেডিক্যাল অফিসার সুনীল তিওয়ারি। তিনি জানিয়েছেন, চিকিৎসকের তরফে কোনো ত্রুটি বা গাফিলতি ধরা পড়লে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ