Bartaman Logo
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ফ্রিজের ভিতর কাটা মুণ্ডু, মেঝেতে পড়ে বাকি দেহ, হাড়হিম করা ঘটনায় আতঙ্ক এলাকাজুড়ে

ফ্রিজের ভিতরে রাখা কাটা মাথা। মেঝেতে পড়ে রয়েছে মুণ্ডুহীন দেহ। হাতের আঙুলও কেটে ফেলা হয়েছে। এরকম হাড়হিম করার মতো ঘটনায় অতঙ্ক এলাকাজুড়ে।

ফ্রিজের ভিতর কাটা মুণ্ডু, মেঝেতে পড়ে বাকি দেহ, হাড়হিম করা ঘটনায় আতঙ্ক এলাকাজুড়ে
  • ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৫৮
Prefer us on Google

গুয়াহাটি, ৭ আগস্ট: ফ্রিজের ভিতরে রাখা কাটা মাথা। মেঝেতে পড়ে রয়েছে মুণ্ডুহীন দেহ। হাতের আঙুলও কেটে ফেলা হয়েছে। এরকম হাড়হিম করার মতো ঘটনায় অতঙ্ক এলাকাজুড়ে। গুয়াহাটির হাতিগাঁও এলাকায় এক তরুণীকে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছডিয়েছে। মৃতার নাম রিয়া তালুকদার। বয়স ২৫। 

Advertisement

পুলিশ সূত্রে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, সোমবার রিয়া ও রামানুজনের মধ্যে তীব্র বচসা হয়। এরপর রাত প্রায় ৮টা নাগাদ রামানুজন বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান বলে জানা গিয়েছে। এর পরেই কোনও এক সময়ে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে থাকতে পারে বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। দেহ উদ্ধারের প্রায় ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা আগে খুনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। রিয়ার স্বামী রামানুজন গোস্বামী এই ঘটনায় জড়িত আছে বলেই সন্দেহ করছে তদন্তকারীরা। গত মঙ্গলবার বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বের হতে দেখে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। তাঁরাই পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রিয়ার মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে একটি কালো পলিথিনের ব্যাগে ভরে ফ্রিজের মধ্যে রাখা হয় বলে অভিযোগ। তাঁর হাতের আঙুলও কেটে ফেলা হয়েছিল। 

রিয়া একটি বুটিকে কাজ করতেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর বাবা-মা কেউই জীবিত নেই। তাঁর একমাত্র ভাই রয়েছেন। রিয়ার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকেই মৃত্যুর কারণ এবং ঘটনার প্রকৃতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

রিয়ার স্বামী রামানুজনের উপর পুলিশের সন্দেহ, তাই তাঁর সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তিদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত হত্যার সঠিক উদ্দেশ্য স্পষ্ট নয়। রামানুজনকে পুলিশ আটক বা গ্রেপ্তার করেছে কি না, সে সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি। ঘটনার নেপথ্যে ঠিক কী ছিল এবং হত্যাকাণ্ডের জন্য কে বা কারা দায়ী, তা জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ