Bartaman Logo
২২ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

তৃণমূলের পঞ্চায়েতে অনুপস্থিত সদস্যরা, ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান পাশ নিয়ে সংশয়

দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তৃণমূল সদস্যদের অনুপস্থিতিতে ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান পাশ নিয়ে উদ্বেগ। প্রশাসন বলছে, অনুমোদন না হলে অর্থ কমিশনের টাকা মিলবে না। বিস্তারিত পড়ুন।

তৃণমূলের পঞ্চায়েতে অনুপস্থিত সদস্যরা, ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান পাশ নিয়ে সংশয়
  • ২২ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ষোড়শ অর্থ কমিশনের টাকা পাওয়ার জন্য গ্রাম পঞ্চায়েত ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান বানিয়ে তা গ্রামসভার মাধ্যমে পাশ করিয়ে পঞ্চায়েত সদস্যদের উপস্থিতিতে সাধারণ সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন করাতে হবে। কিন্তু পালাবদলের পর দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বহু পঞ্চায়েতে তৃণমূলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সেভাবে আসছেনই না বলে খবর। অনেকে আবার এলাকাছাড়া। এই অবস্থায় ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান কীভাবে পঞ্চায়েতের সাধারণ সভায় অনুমোদন করানো হবে, তা নিয়েই চিন্তায় পড়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা। কারণ, প্ল্যান অনুমোদন না হলে সেটা নির্দিষ্ট পোর্টালে আপলোড করা যাবে না। সেক্ষেত্রে অর্থ কমিশনের টাকা নাও পেতে পারে সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত।

Advertisement

জানা গিয়েছে, সরকার পরিবর্তন হতেই জেলার অনেক জায়গায় পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান থেকে শুরু করে সদস্যদের অনেকে পঞ্চায়েতমুখো হননি। বেশ কিছু জায়গায় গ্রামসভার বৈঠক সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতের সচিব পর্যায়ের আধিকারিকদের ডাকতে হয়েছে। কোথাও আবার বিজেপির নেতারা পঞ্চায়েতের সঙ্গে কথা বলে তা আয়োজন করেছিল। কিন্তু চূড়ান্ত অনুমোদন করার জন্য পঞ্চায়েত সদস্যদের নিয়ে সাধারণ সভা ডাকতে হয়। সেখানেই সিলমোহর পড়বে এই ডেভেলপমেন্ট প্ল্যানে। কিন্তু এখন যা পরিস্থিতি, তাতে কেউ ভয়ে আসতে চাইছেন না। কোথাও আবার পঞ্চায়েতে না আসার জন্য ‘অলিখিত নির্দেশ’ জারি করা হয়েছে। যেসব জায়গায় তৃণমূল হেরেছে সেখানে এমন পরিস্থিতি।  আবার যেখানে জিতেছে, সেখানেও অনেক জায়গায় পঞ্চায়েত সদস্যরা অনুপস্থিত থাকছেন। প্রশাসন থেকে এ ব্যাপারে নানা সময় বার্তা দেওয়া হচ্ছে যে, প্ল্যান অনুমোদন করে আপলোড না করলে আগামী দিনে পঞ্চায়েত এলাকায় কাজকর্ম করার টাকা পাওয়া যাবে না। আগামী ৩১ জুনের মধ্যে আপলোডিংয়ের কাজ শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে পঞ্চায়েত দপ্তর। হাতে রয়েছে মাত্র দুই সপ্তাহ মতো সময়। এখনও দেখা যাচ্ছে ক্যানিং, ডায়মন্ডহরবারসহ কয়েকটি মহকুমা এলাকার পঞ্চায়েতের সদস্যরা বহুদিন ধরে আসছেন না। এনিয়ে জেলা পরিষদের সভাধিপতি নীলিমা মিস্ত্রি বিশাল বলেন, ‘কিছু জায়গায় এমনটা হচ্ছে ঠিকই। আমরা পঞ্চায়েতের আইন দেখে আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলছি। বিকল্প কিছু করা যায় কি না, আলোচনা করে দেখা হচ্ছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ