নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মাদ্রাসার পরিচালন সমিতির নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমাকে কেন্দ্র করে সোমবার উত্তেজনা ছড়াল ভাঙড়ে। আইএসএফ এবং তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে তীব্র বচসা হয়। এ সময়ে তা হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ায়। অভিযোগ, আইএসএফের দুই কর্মীকে মারধর করা হয়েছে। এলাকায় বোমাবাজির অভিযোগও উঠেছে। আইএসএফ নেতৃত্বের দাবি, তাদের কর্মীদের মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। উত্তেজনা থামাতে মৃদু লাঠিচার্জ করতে হয়েছে পুলিসকে। এদিন বিরোধীপক্ষের কোনও মনোনয়নপত্র জমা না পড়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন তৃণমূলপন্থীরা।
জানা গিয়েছে, এদিন ভাঙড় এএই হাই মাদ্রাসার পরিচালন সমিতির ছ’টি আসনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষদিন ছিল। অশান্তি এড়াতে সকাল থেকেই ভাঙড় বাজার সহ গোটা এলাকা নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলেছিল কলকাতা পুলিস। মোতায়েন করা হয়েছিল বিশাল বাহিনী। তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় ভিড় জমিয়েছিলেন। আইএসএফ সমর্থিত প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে গেলে তাঁদের বাঁধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তাঁরা অভিযোগ জানাতে ভাঙড় থানায় গেলে গেটের বাইরেই তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা তাঁদের আটকে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় গুরুতর জখম হন জিয়ারুল বৈদ্য ও সেলিম বৈদ্য নামের দুই আইএসএফ কর্মী। আইএসএফ নেতা রাহুল মোল্লা বলেন, রবিবার রাতেই জীবনতলা থেকে প্রচুর দুষ্কৃতী ভাঙড়ে এসেছে। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লার নির্দেশে দুষ্কৃতীরা আমাদের ছেলেদের উপর অত্যাচার চালায়। পুলিস ছিল নীরব দর্শকের ভূমিকায়। অভিযোগ অস্বীকার করে শওকত বলেন, আইএসএফ অশান্তি পাকানোর অনেক চেষ্টা করেছিল, কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। ওদের সঙ্গে সাধারণ মানুষ নেই। তাই মাদ্রাসার পরিচালন সমিতির নির্বাচনে প্রার্থী দিতে পারেনি ওরা। নিজস্ব চিত্র