Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে তৃণমূল কাউন্সিলার অনুপম দত্তকে খুন, আদালতে জানালেন সরকারি কৌঁসুলি

ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরেই পানিহাটির তৃণমূল কাউন্সিলার অনুপম দত্তকে খুন করেছে বাপি পণ্ডিত, অমিত পণ্ডিতরা। এই খুনের মামলার সর্বশেষ শুনানিতে সোমবার বারাকপুরের তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা দায়রা আদালতে এ তথ্য জানিয়েছেন সরকারি কৌঁসুলি সত্যব্রত দাস।

ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে তৃণমূল কাউন্সিলার অনুপম দত্তকে খুন, আদালতে জানালেন সরকারি কৌঁসুলি
  • ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরেই পানিহাটির তৃণমূল কাউন্সিলার অনুপম দত্তকে খুন করেছে বাপি পণ্ডিত, অমিত পণ্ডিতরা। এই খুনের মামলার সর্বশেষ শুনানিতে সোমবার বারাকপুরের তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা দায়রা আদালতে এ তথ্য জানিয়েছেন সরকারি কৌঁসুলি সত্যব্রত দাস।  সমস্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রথমে কামারহাটির মনোজ যাদবকে ওই খুনের সুপারি দিয়েছিল বাপি পণ্ডিত। তাকে আগ্নেয়াস্ত্র দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মনোজ সুপারি নিতে রাজি হয়নি। সে কথা আদালতে দাঁড়িয়ে স্বীকারও করেছে মনোজ। পরে তাই অমিত পণ্ডিতকে দেওয়া হয়েছিল কাউন্সিলার খুনের সুপারি। সরকারি কৌঁসুলি আরও জানান, খুন করার জন্য হরিণঘাটার জিয়াউল মণ্ডল নামে একজনকে বরাত দেয় অমিত। চার লাখ টাকা দেওয়া হয় তাকে। কিন্তু টাকা নিয়েও জিয়াউল ‘কাজ’ না করায় ক্ষিপ্ত অমিত তাকে লক্ষ্য করে গুলিও চালিয়েছিল। শেষে ২০২২ সালের ১৩ মার্চ সন্ধ্যে সাড়ে সাতটা নাগাদ পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে অনুপম দত্তকে গুলি করে মারে অমিত নিজেই। ঘটনাস্থলের কিছুটা দূরেই তখন অপেক্ষা করছিল বাপি পন্ডিত। সাক্ষ্য প্রমাণে তার উল্লেখ রয়েছে। এই মামলায় মোট ২৪ জন সাক্ষী দিয়েছেন। সাক্ষীরা অমিতকে শনাক্ত করেছেন। 

Advertisement

এই নৃশংস খুনের ঘটনায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ এবং ১২০র বি, অস্ত্র আইনের ২৫ ও ২৭ ধারা অনুযায়ী বাপি পণ্ডিত, অমিত পণ্ডিত ও জিয়াউল মণ্ডলের কঠোর শাস্তির দাবি করেন সরকারি কৌঁসুলি। এরপর বিচারক অয়ন কুমার ব্যানার্জি অভিযুক্তদের আইনজীবীদের বক্তব্য শুনতে চান। তাঁরা আদালতের কাছে কিছু সময় চেযে নেন। বিচারক বেশি সময় দেওয়া যাবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। বর্তমানে জামিনে থাকা বাপি পণ্ডিত এদিন আদালত কক্ষে হাজির ছিল।  জেলের ভেতরে রয়েছে বাকি দুই অভিযুক্ত জিয়াউল ও অমিত। আদালত কক্ষে উপস্থিত ছিলেন অনুপম দত্তের ভাই নিরুপম দত্ত। তিনি বলেন, যেভাবে মামলার অগ্রগতি হচ্ছে, তাতে আশা করছি, খুব শীঘ্রই দাদার নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার পাওয়া যাবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ