Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

একাধিক পুরসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের পুরপ্রতিনিধিদের পদত্যাগের হিড়িক

বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর গারুলিয়া পুরসভায় কাজকর্ম শিকেয় উঠেছিল। জঞ্জাল সাফাইয়ের কাজও বন্ধ হয়ে যায়।

একাধিক পুরসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের পুরপ্রতিনিধিদের পদত্যাগের হিড়িক
  • ২৪ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর গারুলিয়া পুরসভায় কাজকর্ম শিকেয় উঠেছিল। জঞ্জাল সাফাইয়ের কাজও বন্ধ হয়ে যায়। বোর্ড মিটিংয়ে তা নিয়ে আলোচনা হলেও পরে একগুচ্ছ কাউন্সিলার এবং তৃণমূলের চেয়ারম্যান রমেন দাস পদত্যাগ করেন। কাউন্সিলারদের সঙ্গে আলোচনা করেই এই গণপদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে রমেন দাস জানিয়েছেন। শুক্রবার ভাইস চেয়ারম্যান অশোক সিং সহ ১১ জন পদত্যাগ করেছেন। সোমবার চেয়ারম্যান রমেন দাস সহ বাকি আটজন তৃণমূল কাউন্সিলার পদত্যাগ করবেন। ওই পুরসভায় ২১ জন কাউন্সিলারের মধ্যে ১৯ জন তৃণমূলের। বাকি দু’জন নির্দল ও ফরওয়ার্ড ব্লকের। তবে এই দু’জন এখনও পদত্যাগ করেননি বা করার কথাও জানাননি।

Advertisement

কেন এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত, সে ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কাউন্সিলার বলেন, জনমত বিরুদ্ধে যাওয়াতেই এই সিদ্ধান্ত। এছাড়া গারুলিয়া জুড়ে ভয়ের পরিবেশ রয়েছে। তাই সকলে মিলে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত। প্রসঙ্গত ওই পুরসভা সহ যেসব পুরসভায় অধিকাংশ কাউন্সিলার পদত্যাগ করছেন, সেখানে প্রশাসক বসানোর প্রস্তাব দিয়েছেন নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং। রাজ্যে তেমন কোথাও না হলে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে কাঁচরাপাড়া, হালিশহর, ভাটপাড়া, গাড়ুলিয়া পুরসভায় তৃণমূল কাউন্সিলাদের পদত্যাগের হিড়িক পড়েছে। নৈহাটি, উত্তর বারাকপুর পুরসভায় তিনজন করে পদত্যাগপত্র জমাও দিয়েছেন। কাল সোমবার ওই দুই পুরসভায় আরও কয়েকজন দিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।
তবে বারাকপুর ও টিটাগড় পুরসভায় এখনও এমন কিছু শুরু হয়নি। বারাকপুরের চেয়ারম্যান উত্তম দাস নিয়মিত পুরসভায় যাচ্ছেন। তাঁর সঙ্গে ইতিমধ্যে পৃথকভাবে বৈঠক করেছেন বারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী এবং নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং। তাঁরা পুরবোর্ডকে কাজ চালিয়ে যেতে বলেছেন। তাঁদের আরও বক্তব্য, যাঁরা দুর্নীতি করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু কতদিন পুরবোর্ড অটুট থাকবে তা নিয়ে সন্দিহান পুরকর্তারা। এখন দেখার ভাটপাড়া-গাড়ুলিয়ার পথেই হাঁটে কি না টিটাগড়, বারাকপুর পুরসভাও।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ